আরজি কর কাণ্ডের তদন্তে সিট গঠন, খুনের ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করল পুলিশ
ব্রুটাল মার্ডার। সেমিনার রুমে পড়ে থাকা দেহ দেখে চমকে উঠেছিলেন শাসক দলের নেতাই। যৌন নিগ্রহের প্রমাণ মিলেছে ময়না তদন্তের রিপোর্টেও। ইতিমধ্যেই আইন সংহিতা অনুযায়ী খুনের ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। ভারপ্রাক্ত জয়েন্ট সিপি ক্রাইমের নেতৃত্বে সিট গঠন করা হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে খুন এবং ধর্ষণ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কর্তৃপক্ষের আচরণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় পড়ুয়া ছাত্র চিকিৎসকরা। তাঁরা ৮ দফা দাবিতে কর্ম বিরতির ডাক দিয়েছে। জরুরি পরিষেবা ছা়ড়া আর কিছুই তারা দেবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।

হাসপাতালের চিকিৎসক পড়ুয়ারা সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি করেছে পরিকল্পনা করে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে PGT মহিলা চিকিৎসককে। হাসপাতালের সব চিকিৎসকদের নিরাপত্তা দাবি করেছেন তাঁরা। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভেতরে সেমিনার রুমে যে ভয়ঙ্কর ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা ঘটেছে তাতে তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
ভিডিওগ্রাফির মাধ্যমে ময়নাতদন্ত করা হয় মৃত মহিলা চিকিৎসকের। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ধর্ষণ করে খুনের প্রমাণ মিলেছে। মহিলা চিকিৎসকের গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। শ্বাস রোধ করে খুন করলে যেরকম আঘাত হওয়ার কথা সেটা ছিল। গোপনাঙ্গেও ক্ষত পাওয়া গিয়েছে। সেমিনার হল থেকে যখন তাঁর দেহ উদ্ধার হয় তখন তাঁর নিম্নাঙ্গের পোশাক ছিল না। রাত ২টো থেকে ভোর ৬টার মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে। সেমিনার হলের একটি নীল ম্যাট্রেসের উপরে পড়েছিল দেহ। সেখানে স্পষ্ট ধস্তাধস্তির প্রমাণ মিলেছে।
এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বারবার আত্মহত্যা বলে ঘটনাটিকে চালানোর চেষ্টা করেছিল। তাঁর বাবাকে বলা হয়েছিল মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। সকালেই তাঁর বাবা অভিযোগ করেছিলেন তাঁর মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। সেমিনার হলের ভেতরে কোনও সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না। হাসপাতালের চিকিৎসকরা দাবি করেছেন হাসপাতালে কখন কে আসছে কোথায় যাচ্ছে কোনও রকম সার্ভিলেন্স করা হয় না।












Click it and Unblock the Notifications