সকালেই ঘিরে ফেলা হয় গোটা স্টেশন! হাওড়ায় পা রাখতেই পুলিশের জালে সতেন্দ্র চৌধুরী
বাগুইআটি-কাণ্ডে বড় সাফল্য বিধাননগর কমিশনারেটের। অবশেষে জোড়া খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ঘটনার প্রায় দীর্ঘদিন পরে অবশেষে পুলিশের জালে মূল অভিযুক্ত। ঘটনার পর থেকেই বারবার পুলিশের ভূমিকা
বাগুইআটি-কাণ্ডে বড় সাফল্য বিধাননগর কমিশনারেটের। অবশেষে জোড়া খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ঘটনার প্রায় দীর্ঘদিন পরে অবশেষে পুলিশের জালে মূল অভিযুক্ত। ঘটনার পর থেকেই বারবার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল।
এমনকি বিধাননগর কমিশনারেটের কমিশনারেটকেও খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। কিন্তু শেষমেষ মূল অভিযুক্তকে ধরল সেই কমিশনারেটের পুলিশ আধিকারিকরাই।

কীভাবে ধরল পুলিশ-
জোড়াখুন তদন্তে সিআইডির পাশাপাশি বিধাননগর কমিশনারেটও সত্যেন্দ্রের খোঁজে গোটা রাজ্য জুড়ে জাল বিছোয়। সেই মতো আজ শুক্রবার সকালে তদন্তকারীরা খোঁজ পান মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র ভিন রাজ্যে পালানোর চেষ্টা করছে। হাওড়া স্টেশনের ট্রেন ধরে পালাচ্ছে সে। সেই মতো সকালেই বিশাল পুলিশ বাহিনী গোটা স্টেশন ঘিরে ফেলে। সেই মতো সতেন্দ্র স্টেশনে প রাখতেই হাতেনাতে একেবারে ধরা হয় বলে জানা যাচ্ছে। এই মুহূর্তে কমিশনারেটে নিয়ে আসা হয়েছে বলে খবর।

বারবার সিম বদলাচ্ছিল সে
খুনের ঘটনার প্রায় দীর্ঘ দিন পর মূল অভিযুক্ত সতেন্দ্রকে ধরতে পারল পুলিশ। ঘটনার পর থেকে বারবার হুমকি হোয়াটস অ্যাপ করলেও তাঁর নাগাল পাচ্ছিল না তদন্তকারীরা। কারণ লাগাতার সিম বদলে ফেলছিল সে। গত কয়েকদিনে একাধিক সিম বদলেছে বলে তদন্তকারীরা মনে করছে। ফলে কিছুতেই ট্র্যাক করতে পারছিলেন না তদন্তকারীরা। তবে জানা যাচ্ছে সত্যেন্দ্রকে ইতিমধ্যে বিধাননগর কমিশনারেটে নিয়ে আসা হচ্ছে। সেখানে সিআইডির আধিকারিকরাও যাচ্ছেন বলেই খবর।

মিসিং লিঙ্ক খুঁজবেন তদন্তকারীরা-
জোড়া খুনের ঘটনায় একাধিক মিসিং লিঙ্ক রয়েছে। কেন কীসের জন্যে এই খুন এখনও স্পষ্ট নয়। এমনকি কীভাবে বা খুন করা হল তা নিয়েও নানা প্রশ্ন রয়েছে। মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরীকে হেফাজতে নিয়ে সেগুলিই খোঁজার চেষ্টা পুলিশ আধিকারিকরা করবেন বলে খবর। জানা যাচ্ছে, বিহারে সতেন্দ্রের গ্রামের বাড়ি। সেখানেই পালানোর চেষ্টা করছিল বলে জানা যাচ্ছে। তবে একাধিক ধোঁয়াশা রয়েছে। সেগুলি একের পর এক তথ্য সামনে আনতেই মরিইয়া পুলিশ আধিকারিকরা। তবে ইতিমধ্যে এই ঘটনায় চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মুখোমুখি সতেন্দ্রকে বসানো হবে বলেও খবর।

ফাসি চাইছে পরিবার
ঘটনার পর থেকেই রাগে ফুঁসছে বাগুইআটি। ঘটনার পর থেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তৈরি হয় ক্ষোভ। এমঙ্কিন সতেন্দ্রকে কেন গ্রেফতার করা যাচ্ছে না তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মৃতের পরিবার। তবে মূল অভিযুক্ত ধরা পড়তেই ফাঁসি চাইছে পরিবার। তাঁরা চান, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। আর তা একমাত্র ফাঁসি বলেই দাবি স্থানীয় মানুষজনের। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় দোষীর কোড়া শাস্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications