ফের রোগী মৃত্যুতে ধুন্ধুমার এসএসকেএম-এ! গ্রেফতার মৃত রোগীর আত্মীয়
রোগী মৃত্যুর পর চিকিৎসক, আয়া ও নার্সদের হেনস্থা ও মারধরের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে মোমিনপুরের এক যুবককে।
রোগী মৃত্যুর পর চিকিৎসক, আয়া ও নার্সদের হেনস্থা ও মারধরের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে মোমিনপুরের এক যুবককে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দাদার মৃত্যুর পর সে চিকিৎসকদের ওপর হামলা চালায়। নার্সদেরও মারধর করে বলে অভিযোগ। পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

সূত্রের খবর অনুযায়ী ১৫ জুলাই থেকে এসএসকেএম-এ ভর্তি মোমিনপুরে এক যুবক মহঃ সাকিব। সেই সময়তেই তাঁর কিডনির ৭৫% খারাপ ছিল। দিন যত যেতে থাকে কিডনি আরও খারাপ হতে থাকে। সোমবার ভোরে ওই যুবকের মৃত্যু হয়। সেই সময় পাশেই ছিলেন তাঁরই ভাই মহঃ সাজিদ। দাদার মৃত্যুর পর ভাই চিৎকার করতে থাকেন। মৃত্যুর সময় কেন চিকিৎসকরা পাশে নেই সেই অভিযোগ তোলেন।
[কর্ণাটকে ভয়াবহ বন্যা, বিপর্যস্ত জনজীবন, দেখুন দুর্দশার জলছবি]
এই সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা চলে আাসেন। মহঃ সাজিদ কর্তৃব্যরত দুই চিকিৎসক এবং নার্সকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। চিকিৎসককে চড় মারা হয়।
হাসপাতালে ভাঙচুর চালানোও হয়। খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে যায় এসএসকেএম ফাঁড়ির পুলিশ। ভবানীপুর থানার পুলিশ এবং ডিসি সাউথও ঘটনাস্থলে চলে যান। অভিযুক্ত যুবকের সঙ্গে কথা বলা হয়। এরই মধ্যে আক্রান্ত চিকিৎসক এসএসকেএম-এর ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করেন। যুবক নিজের দোষ স্বীকার করেন বলে দাবি পুলিশ। এরপরেই ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়।
প্রথম থেকে যেই চিকিৎসক মৃত যুবককে দেখেছেন, তিনি জানিয়েছেন, প্রথম দিন থেকেই রোগীর অবস্থা খারাপ ছিল। পরিবারকেও সেকথা জানানো হয়েছিল।
এর আগেও রোগী মৃত্যুর জেরে অশান্তি হয়েছে এসএসকেএম-এ।
জুন মাসে এনআরএস-এ এক রোগীর মৃত্যুর পর রোগীর পরিবারের সদস্যরা জুনিয়ার চিকিৎসকদের মারধর করেন। জুনিয়র চিকিৎসকরাও পাল্টা মারধর করেন বলে অভিযোগ। তারপর থেকেই রাজ্য জুড়ে চিকিৎসকদের আন্দোলন শুরু হয়। পরে নবান্নে গিয়ে আলোচনার পর সমাধান সূত্র বের হয়।












Click it and Unblock the Notifications