'দমন-পীড়নের নীতি নেওয়া ঠিক হবে না', মমতা-অভিষেককে সতর্ক করলেন জেলবন্দি পার্থ
কুর্মি ইস্যুতে চাপ বাড়ছে শাসকদলের উপর! বিশেষ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ের উপর হামলার ঘটনার পর একাধিক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যা নিয়ে তীব্র হচ্ছে কুর্মিদের আন্দোলন। সেখানে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শ জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের।
শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কার্যত সতর্ক করে দিলেন তিনি। আজ মঙ্গলবার ফের একবার আদালতে তোলা হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। আর সেখানেই বেশ কিছুক্ষণ সাংবাদিদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। আর সেখান থেকেই কুর্মি ইস্যুতে সরকারকে এই প্রথম কোনও পরামর্শ দিলেন।

পার্থ বললেন, ''কুড়মিদের উপর দমন-পীড়নের নীতি নেওয়া সম্ভবত ঠিক হবে না।'' আলাপ আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধানের কথা বললেন তৃণমূলের প্রাক্তন মহাসচিব। বলে রাখা প্রয়োজন, একটা সময়ে ঝাড়গ্রামে পর্যবেক্ষক হিসাবে কাজ করেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেখানের রাজনীতি বা অনেক কিছুই তাঁর চেনা।
আর কুর্মিদের বড় একটা অংশ ঝাড়গ্রামেরই বাসিন্দা। সেখানে দাঁড়িয়ে বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার এহেন বক্তব্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বলে রাখা প্রয়োজন, নবজোয়ার কর্মসূচিতে গিয়ে একাধিকবার কুর্মিদের বাঁধার মুখে পড়তে হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
এমনকি ঝাড়গ্রামে তাঁর কনভয়ের উপরেও হামলার ঘটনাও ঘটে। এমনকি রাজ্যের মন্ত্রী তথা আদিবাসী নেত্রী বিরবাহা হাঁসদার গাড়িতেও হামলা হয়। ভেঙে দেওয়া হয় একের পর এক গাড়ি। আর এরপরেই ব্যাপক ধড়পাকড় শুরু হয়ে যায়। কুড়মি নেতা রাজেশ মাহাতো-সহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়।

আর এরপরেই কুর্মিদের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়। একের পর এক কুর্মিদের গ্রেফতারের ঘটনায় ক্রমশ পরিস্থিতি উত্তাল হচ্ছে। আর সেখানে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পরামর্শ, আলোচনার বসেই কুর্মিদের সমস্যা মেটানো উচিৎ। এক্ষেত্রে দমন-পীড়ন নীতি অবলম্বন করা ঠিক হবে না বলেও একযোগে মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সতর্কও করে দেন তিনি।
পাশাপাশি দলনেত্রীর কাছে একটি আবেদনও রাখেন পার্থবাবু। কারারক্ষীদের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অন্তর্গত করার আবেদন রাখেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications