প্রেসিডেন্সি জেলে কি পাশেই অনুব্রত? দলের বীরভূম জেলা সভাপতির গ্রেফতারিতে কী বললেন পার্থ
প্রেসিডেন্সি জেলে কি পাশেই অনুব্রত? দলের বীরভূম জেলা সভাপতির গ্রেফতারিতে কী বললেন পার্থ
বিরোধীরা বলছেন, এই তো সবে শুরু। সেটিং না হলে কিছু দিনের মধ্যে তৃণমূল (Trinamool Congress) মন্ত্রিসভা আর শীর্ষ নেতৃত্বের অনেকেই যাবেন জেলে। ২৩ জুলাইয়ের পরে ১১ অগাস্ট রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। শাসকদলের দুই শীর্ষ নেতা, একজন শীর্ষ মন্ত্রী দুর্নীতির দায়ে গ্রেফতার (arrest)। একজন জেলা হেফাজতে, আরেকজন এই মুহূর্তে সিবিআই হেফাজতে। বৃহস্পতিবার বিকেলে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) গ্রেফতারির খবর পেয়েছেন জেলে (Jail) পার্থ পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছেন তিনি।

প্রেসিডেন্সে জেলে খবর পান পার্থ
এসএসসির নিয়োগ দুর্নীতিতে কাণ্ডে ইডি হেফাজত থেকে জেল হেফাজত হয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। প্রেসিডেন্সি জেলের পহেলা বাইশ ওয়ার্ডের দুনম্বর তেলে রয়েছেন একদা তৃণমূল দল ও সরকারিরে দুনম্বর ব্যক্তি। অন্যদিনের মতো বৃহস্পতিবার বিকেলেও তিনি সেখানে হাঁটাচলা করছিলেন। সেই সময় খবর পান গরু পাচার মামলায় সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার হয়েছেন দলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া
সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রেসিডেন্সি জেলের মধ্যে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারির খবর পৌঁছে দেন কারারক্ষীরা। খবর শোনার পরে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া অনুব্রত কি এই জেলেই আসবে?

৫ অগাস্ট থেকে পার্থর ঠিকানা প্রেসিডেন্সি জেল
গত ৫ অগাস্ট পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ১৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সেই থেকেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঠিকানা প্রেসিডেন্সি জেল। কয়েদি নম্বর ৯৮৩৭৯৯। জেল-বাস শুরুর দিকে পা ফুললেও, আপাতত তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জেল সূত্রে খবর। জেলে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিশেষ সুবিধা নিচ্ছেন না। ব্যবহার করছেন কমন বাথরুম। আইনজীবীর মাধ্যমে বই আনিয়ে নিয়েছেন। তা ছাড়াও কাগজ পড়ে বাইরের জগতের খোঁজ-খবর রাখছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী।

আপাতত ১০ দিন সিবিআই হেফাজতে অনুব্রত
বৃহস্পতিবার সকালে আট থেকে ১০ জন সিবিআই আধিকারিক প্রায় ১০০ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানকে নিয়ে যান অনুব্রত মণ্ডলের নিচু পট্টির বাড়িতে। প্রথমেই বাড়ি ঘিরে ফেলা হয়। অনুব্রত মণ্ডলের রক্ষীদের বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। বেলা ১১ নাগাদ অনুব্রত মণ্ডলকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান সিবিআই আধিকারিকরা। তাঁকে গ্রেফতার দেখানো হয় বিকেলে। বিকেলে তাঁকে আসানসোসেল বিশেষ সিবিআই আদালতে হাজির করানো হয়। সেখানকার বিচারক অনুব্রত মণ্ডলকে ১০ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন। রাতেই তাঁকে নিয়ে আসা হয় নিজাম প্যালেসে। আসার সময় ধনেখালির কাছে যানজটে আটকে যাওয়ায় সাংবাদিকরা তাঁর গাড়ির পাশে চলে আসেন
এবং তাঁকে নানা প্রশ্ন করেন। যদিও সব প্রশ্নই অনুব্রত মণ্ডল ছিলেন চুপ। তবে ইডির হেফাজত থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় নানা কথা বলতে শোনা গিয়েছে।
সে রকমই স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কমান্ড হাসপাতালে নেওয়ার সময় অনুব্রত মণ্ডল কিছু বলেন কিনা এখন সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications