'মৌলিক অধিকার' মনে করিয়ে জামিন চাইলেন পার্থ! ফাঁসানোর দাবি আইনজীবীর
১৪ দিনের জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষে আদালতে তোলা হল পার্থ চট্টোপাধ্যায়। একই সঙ্গে আদালতে তোলা হয়েছে বান্ধবী অর্পিতাকেও। তবে নিরাপত্তার কারণে এদিন সশরীরে আদালতে দুজনকে তোলা হয়নি। ভার্চুয়ালের মাধ্যমেই জেল থেকেই শুনানিতে অংশ নি
১৪ দিনের জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষে আদালতে তোলা হল পার্থ চট্টোপাধ্যায়। একই সঙ্গে আদালতে তোলা হয়েছে বান্ধবী অর্পিতাকেও। তবে নিরাপত্তার কারণে এদিন সশরীরে আদালতে দুজনকে তোলা হয়নি। ভার্চুয়ালের মাধ্যমেই জেল থেকেই শুনানিতে অংশ নিয়েছেন পার্থ এবং বান্ধবী।
তবে জেল থেকে এভাবে ভার্চুয়ালের মাধ্যমে হাজিরায় ক্ষুব্ধ প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। একই সঙ্গে এদিন ফের একবার আদালতে জামিনের আবেদন জানান তিনি।

মৌলিক অধিকার মনে করালেন পার্থ
এই মুহূর্তে প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং আলিপুর মহিলা সংশোধনাগারে রয়েছেন বান্ধবী অর্পিতা। নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা হতে পারে। ফলে ভার্চুয়ালের মাধ্যমে তাদের আদালতে হাজিরা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক। গত কয়েকদিন আগেই এই সংক্রান্ত আবেদন জানায় জেল কতৃপক্ষ। তা মঞ্জুর করে আদালত। সেই মতো আজ বুধবার শুনানিতে ভার্চুয়ালের মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দেন দুজনই। তবে জেল কতৃপক্ষের এহেন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ পার্থ। তাঁর দাবি, ''আদালতে সশরীরে হাজির হওয়া আমার মৌলিক অধিকার।'' ফলে ভার্চুয়ালের মাধ্যমে নয়, সশরীরে হাজির দিতে চান বলেও আদালতকে জানান পার্থ।

ফাঁসানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ
এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের তরফে ফের একবার জামিনের আবেদন জানানো হয়। যে কোনও শর্তে তাঁকে যাতে জামিন দেওয়া হয় সেই আবেদন রাখেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। তিনি জানান, প্রয়োজনে বাড়িতে একা থাকতেও রাজি। পুলিশি নিরাপত্তায় ঘর বন্দি করে রাখার আবেদন জানান রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। পাশাপাশি অসুস্থতার বিষয়টিও আরও একবার আদালতকে জানান তিনি। অন্যদিকে ইডির বিরুদ্ধে ফাঁসানোর অভিযোগ পার্থের আইনজীবী। সওয়ালে জানান, অপা ইউটিলিটি বলে যে সংস্থা বলা হচ্ছে তাতে কোন যুক্ত ছিলাম না। কিন্তু ফাঁসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পার্থের। আরও বেশ কয়েকটি তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

১০০ টি অ্যাকাউন্ট নজরে
অন্যদিকে এদিন ইডির তরফে চাঞ্চল্যকর বেশ কিছু তথ্য আদালতের সামনে তুলে ধরা হয়। নতুন করে আরও ৩০ টি অ্যাকাউন্ট পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি ইডির আইনজীবীর। এমন মোট ১০০ টি অ্যাকাউন্ট এই মুহুরতে নজরে রয়েছে বলেও আদালতে দাবি করা হয় ইডির তরফে। অন্যদিকে নয়া কোম্পানির হদিশ মিলেছে বলেও দাবি করা হয় এদিন ইদির তরফে। সেই সংস্থার মাধ্যমেই কালো টাকা সাদা করা হত বলে দাবি আইনজীবীর। এছাড়াও তদন্তে নেমে বহু ফ্ল্যাট এবং জমির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলেও এদিন দাবি করা হয়। সব মিলিয়ে পার্থের জামিনের তীব্র বিরোধীতা করা হয় ইডির তরফে।

জামিনের আবেদন করা হয়নি
তবে অর্পিতার তরফে কোনও জামিনের আবেদন করা হয়নি। তবে জেলে নাকি আর থাকতে চাইছেন না অর্পিতা। মাঝে মধ্যেই শুধু কাঁদছেন বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications