হাওড়ায় তৈরি হচ্ছে বিশাল এই টাওয়ার, শহিদ মিনারের থেকেও লম্বা! অত উঁচুতে সবটাই ঘুরবে! জানেন আর কী থাকবে?
Panchdeep Minar Howrah: হাওড়া স্টেশন থেকে একেবারে ঢিল ছোঁড়া দূরত্ব! ইষ্ট-ওয়েস্ট বাইপাস রোড লাগোয়া বেলিলিয়াস পার্কেই নির্মাণ করা হচ্ছে দেশের সর্বোচ্চ উচ্চতার টাওয়ার। দেশের সর্বোচ্চ এই টাওয়ার তৈরিতে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে, এখান থেকে হাওড়া এবং কলকাতা শহরকে পাখির চোখে দেখার সুযোগ পাবেন আমজনতা। এই টাওয়ারের খুব কাছেই রবীন্দ্র সেতু ও বিদ্যাসাগর সেতু।
এমনকি, খালি চোখে কলকাতার বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামার দৃশ্যও এখান থেকে পর্যটকদের নাগালের মধ্যে থাকছে।যা খবর, টাওয়ারে (Panchdeep Minar Howrah) থাকবে একটি টেলিস্কোপ। সেটির সাহায্যেই বিমান ওঠানামার দৃশ্য এখান থেকে স্পষ্ট চাক্ষুষ করতে পারবেন সকলে। কয়েক বছর আগেই এই টাওয়ার তৈরির কাজ শুরু হয়। হাওড়া পুরসভার অন্তর্গত প্রায় কুড়ি একর আয়তনের বিলিলিয়াস পার্কে এই কাজ চলছে।

যদিও তারও অনেক আগে পর্যন্ত এটি পুরসভার ডাম্পিং গ্রাউন্ড ছিল। পরবর্তী সময়ে এটি পার্কের রূপ নেয়। এই টাওয়ার নির্মাণ হয়ে গেলে হাওড়ার এই বেলিলিয়াস পার্ক দেশ ও বিদেশের মানুষের কাছে এবার আরও আকর্ষণের হতে চলেছে। এই টাওয়ার থেকে স্পষ্ট হবে হুগলি নদীর সৌন্দর্য। চার ডেকের মধ্যে দেড়শ আসন বিশিষ্ট ঘূর্ণীয়মান রেস্টুরেন্টে বসে খাওয়ার সঙ্গে শহর দেখার সুযোগ মিলবে।
একই সঙ্গে ব্যাঙ্কোয়েট থাকছে এই টাওয়ারে। টাওয়ারের টপ ডেকে খোলা আকাশের নিচে দুশো জন মানুষ দাঁড়াতে পারবেন। তার নিচে দেড়শো আসন বিশিষ্ট রেস্টুরেন্ট অন্য আরও তিনটি ডেক মিলিয়ে মোট ৪০০ জন মানুষের একসঙ্গে এখানে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।
নির্মীয়মাণ এই ওয়াচ টাওয়ার কলকাতার শহীদ মিনারের থেকে ৭০ মিটার বেশি উচ্চতা। দেশের সর্বোচ্চ উচ্চতার এই টাওয়ারের উচ্চতা ১২০ মিটার। বিশাল উচ্চতার এই টাওয়ারে ওঠানামার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির দুটি লিফট থাকবে। যার মাধ্যমে মাত্র প্রায় ৪০ সেকেন্ডে ১২০ মিটার উচ্চতার এই টাওয়ারে ওঠা সম্ভব হবে। এই বিশাল কর্মকাণ্ডের মূল উদ্যোক্তা রতন চৌধুরী। তাঁর মাথা থেকেই বিদেশের ধাঁচে বিশাল এই টাওয়ার তৈরির উদ্যোগ।
রতন চৌধুরী ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলাকে জানিয়েছেন, বেলিলিয়াস পার্কে নির্মাণ হচ্ছে দেশের সর্বোচ্চ উচ্চতার টাওয়ার। ভিন রাজ্য এবং বিদেশ থেকে আসা মানুষও আকৃষ্ট হবেন এই টাওয়ারে। দেশ বিদেশের পর্যটক এবং সাধারন মানুষের কথা ভেবে এই টাওয়ার নির্মাণ করা হচ্ছে। অপেক্ষা আর কয়েক মাসের। যা খবর, এই টাওয়ার নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখার পরেই এই টাওয়ার সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হবে বলে জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications