মুকুলের মাস্টারস্ট্রোক! এবার কমিশন যে সিদ্ধান্ত নিল, তাতে পঞ্চায়েতের ভবিষ্যৎ অন্ধকার
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ই-মেলে রাতারাতি পঞ্চায়েত নির্বাচনকে জটিল করে তুলেছিলেন কমিশনার, এবার মুকুল রায়ের এক চিঠিতে বন্ধ হয়ে গেল নির্বাচন কমিশনের প্রশিক্ষণও।
তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ই-মেলে রাতারাতি মনোনয়ন-বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে জটিল করে তুলেছিলেন নির্বাচন কমিশনার, এবার বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের এক চিঠিতে বন্ধ হয়ে গেল নির্বাচন কমিশনের প্রশিক্ষণও। আরও জটিল হল পঞ্চায়েত নির্বাচনী পরিস্থিতি।
পঞ্চায়েত নির্বাচনী প্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছিল হাইকোর্ট। আগামী ১৬ এপ্রিল অর্থাৎ সোমবার পর্যন্ত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি রয়েছে। তা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন ভোটকর্মীদের প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। শুক্রবার প্রশিক্ষণ জারি থাকার পরই মাস্টারস্ট্রোক দিলেন মুকুল রায়। প্রাক্তন তৃণমূলী চাণক্যের চিঠিতে চটজলদি বন্ধ হল প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা।

মুকুল রায় চিঠি দিয়ে নির্বাচন কমিশনারকে আদালতের রায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। নতুবা আদালেতর নির্দেশ অমান্যের অভিযোগে পাল্টা আরও একটা মামলা খেতে বসেছিল নির্বাচন কমিশন। মুকুল রায়ের এই চিঠি পাওয়ার পরই নির্বাচন কমিশনার সমস্ত জেলায় চিঠি লিখে জানিয়ে দেন, প্রশিক্ষণ বন্ধ রাখতে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট ভোট প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি করার পর শুক্রবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কমিষন হলফনামা না দেওয়ায় শুনানি পিছিয়ে যায়। ফলে সোমবার পর্যন্ত ভোট প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়। কিন্তু এরপরও প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ চলছি। তা জেনেই মুকুল রায় কড়া চিঠি দেন নির্বাচন কমিশনকে।
তিনি লেখেন- হাইকোর্ট নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্থগিতাদেশ জারি করেছে। তা সত্ত্বেও নির্বাচনী আধিকারিক ও ভোটকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ চলছে। কমিশনের এই রায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করছে। এখনই এই প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা বন্ধ না হলে আমরা আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব। এরপর বিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্বাচন কমিশন জেলাশাসক ও জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের জানিয়ে দেন প্রশিক্ষণ-সহ নির্বাচনী সমস্ত প্রক্রিয়া বন্ধ রাখতে।












Click it and Unblock the Notifications