West Bengal Panchayat Election 2023: ছাপ্পা ভোট দিলেন খোদ পোলিং অফিসার, অভিষেকের গড়ে এ কোন গণতন্ত্রের উৎসব?
অভিষেকের গড়ে গণতন্ত্রের উৎসবের চরম নজির দেখলে রাজ্যবাসী। ডায়মন্ড হারবারের এক নম্বর ব্লকের ১৩৭ নম্বর বুথে খোদ পোলিং অফিসারকে দেখা গেল ছাপ্পা ভোট দিতে। এটাই নাকি গণতন্ত্রের উৎসব। শাসক দলে সেই দাবি করে থাকে।
গোটা রাজ্য জু়ড়ে সকাল থেকে তাণ্ডব চলছে। দিশেহারা কমিশন। কোথায় কত বাহিনী মোতায়েন হয়ে তা নিয়ে কোনও সুস্পষ্ট ছবি তাঁদের কাছেও নেই। সকাল থেকে ১৫ জনের প্রাণ গিয়েছে একদিনে। জেলায় জেলায় চলছে অশান্তি। খুনোখুনি। বোমাবাজি। ছাপ্পা ভোট। ব্যালট বাক্স লুঠ। কোনও টাই বাদ যায়নি। গণতন্ত্রের উৎসব পালনের সব প্রচেষ্টাই চলেছে।

সকাল থেকে মুর্শিদাবাদ জেলা তপ্ত হয়ে রয়েছে। লালগোলা, রেজিনগর, রানিনগর, ডোমকলে বুথে বুথে চলেছে ভোট লুঠ। বোমাবাজি। এমনকী ছাপ্পা ভোটও চলেছে। ব্যালট বাক্স নিয়ে বুথ থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন রাজনৈতিক কর্মীরা। কোথাও কংগ্রেস তো কোথাও তৃণমূল কংগ্রেস। আতঙ্কে কাঁটা হয়ে রয়েছেন ভোট কর্মীরা।
প্রতি বুথে চার জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কিন্তু তার কোনও প্রতিফলন বাস্তবে দেখা যায়নি। যার পরিণতি কী হয়েছে সেটা দেখাই যাচ্ছে। বুথে বুথে ভোট কর্মীদের আটকে রেখে। ভয় দেখিয়ে বোমাবাজি করে ছাপ্পা ভোট দেওয়া হয়েছে। ডায়মন্ড হারবারের ১ নম্বর ব্লকের ১৩৭ নম্বর বুথে পোলিং অফিসার নিজেই ছাপ্পা ভোট দিয়েছেন শাসক দলের হয়ে। ক্যামেরা দেখতেই মুখ লোকান। কিন্তু ছাপ্পা ভোট দেওয়া বন্ধ করেননি।
পঞ্চায়েত ভোটকে কেন্দ্র করে জেলায় জেলায় চরম অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। প্রথম চার পাঁচ ঘণ্টা জেলার কোথাও কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী-পুলিশ দেখা যায়নি। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার নিজে সকাল ১০টার পরে বুথে এসেছেন। তিনি তার পরে বাহিনী নিয়ে খোঁজ খবর শুরু করেেছন। দুপুর ১২টার পর কয়েকটি জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দেখা গিয়েছে। ততক্ষণে অর্ধেক ভোট শেষ।












Click it and Unblock the Notifications