Panchayat Election 2023: এবার ভোটে ভ্রাম্যমান রাজভবনের ‘পিসরুম’! সকালে থেকেই পথে রাজ্যপাল
পঞ্চায়েত নির্বাচনে সকালে থেকেই পথে থাকবেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি রাজভবনের 'পিসরুম' ভ্রাম্যমান করার কথা ঘোষণা করেন। সেইমতো শনিবার রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের দিন সকাল ৬টা ১৫ মিনিট থেকে রাজভবনকে ভ্রাম্যমান করে দিলেন।
অর্থাৎ সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে রাজ্যপাল রাজভবনের গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকদের নিয়ে পথে নামবেন। সেই থেকে ভোট সেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি পথেই থাকবেন। একেবারে সোজাসুজি ঘোষণা, কাল আমি রাস্তায় থাকব। পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন পর্ব থেকে থেকে হিংসার শুরু হয়েছে, অশান্তির বাতাবরণে ভোট হচ্ছে, তার জন্যই শান্তিপূর্ণ ভোটের আর্জি নিয়ে তিনি একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে যাবেন।

মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে নিহত কংগ্রেস কর্মী ফুলচাঁদ শেখের বাড়ি থেকে ফেরার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি ঘোষণা করেন, কাল আমি রাস্তায় থাকব মানুষের স্বার্থে। এই পিসরুম আগেকার মতো নয়। আমি পিসরুম নিয়ে আমার অ্যাকশন ফোর্স নিয়ে রাস্তায় থাকব যতক্ষণ না ভোট শেষ হয়।
পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার পর থেকেই যেখানে যেখানে অশান্তি হয়েছে, সেখানে সেখানে ছুটে গিয়েছেন তিনি। নিগৃহীতের পরিবারের সঙ্গে নিহতের পরিবরের সঙ্গে দেখা করে সাহস জুগিয়েছেন, পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন, সুবিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁকে সরাসরি অভিযোগ জানানোর জন্য রাজভভনে কন্ট্রোলরুম খুলেছেন, তারই নাম দেওয়া হয়েছে পিসরুম।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার পর ৩০ দিনে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভোট সন্রাযমসের বলি হয়েছেন তাঁরা। এই ১৮ জনের মধ্যে রয়েছেন শাসক দলের নেতারাও। রয়েছেন বিরোধীরা। কিন্তু প্রশ্ন হল, গণতন্ত্রের এই উৎসবে কেন রক্ত ঝরবে, কেন বোমা-বন্দুকের শব্দে আর বারুদের গন্ধে ভোট হবে?
এই অবস্থা থেকেই রাজ্যকে বের করে আনতে রাজ্যপাল এবার সক্রিয় হয়েছেন। রাস্তায় বেরিয়ে তিনি সন্ত্রাসের বিরোধিতা করছেন। যদিও রাজ্যপালের এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে শাসকদল। শাসকদলের কথায়, রাজ্যপালের আচরণ বিরোধী রাজনৈতিক দলের মতো হয়ে যাচ্ছে। তিনি যেন ভোটের বাংলায় হাত নাড়তে নাড়তে রাজনৈতিক প্রচারে যাচ্ছেন!












Click it and Unblock the Notifications