রাজ্যপালের মুখ দিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মিথ্যা ভাষণ! সিভি আনন্দ বোসের 'মেরুদণ্ড' নিয়ে প্রশ্ন শুভেন্দু অধিকারীর
বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের সময় স্লোগান দিতে দিতে বাইরে। আর রাজ্যপালের ভাষণ শেষ হতেই সাংবাদিক সম্মেলন করে তীব্র আক্রমণ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর।
বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনে রাজ্যপালের ধন্যবাদ সূচক ভাষণ। আর তা নিয়েই রাজ্যপালকে নিশানা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আগের রাজ্যপালের সঙ্গে এই রাজ্যপালের তফাতও করলেন তিনি। রাজ্যে শ্মশানের শাস্তি বিরাজ করছে বলেও কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলনেতা।

রাজ্যপালের ভাষণে মিথ্যা
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছেন, রাজ্যপালের ভাষণের পুরোটাই মিথ্যা। তিনি বলেন, রাজ্যপালকে দিয়ে বলানো হচ্ছে, সোনার বাংলা। তাঁর অভিযোগ সেই বাংলাতেই বিজেপি নেতা-কর্মীদের ওপরে হামলা হচ্ছে। কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, রাজ্যে শ্মশানের শান্তি বিরাজ করছে। তিনি অভিযোগ করেন, মনরেগা, আবাস যোজনা, গ্রাম সড়ক যোজনা নিয়ে রাজ্যের দাবির সঙ্গে কেন্দ্রের পাঠানো তথ্যের কোনও মিল নেই। কেন্দ্রীয় প্রকল্পে রাজ্যে বকেয়া নিয়ে ভুল তথ্য তুলে ধরা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। এইসব নিয়েই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা রাজ্যপালকে দিয়ে বলানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের প্রকৃত অবস্থার কথা রাজ্যপালের ভাষণে উঠে আসেনি বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

ব্যক্তি রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নয়
শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দেন, রাজ্যপালের ভাষণ নিয়ে অভিযোগ করলেন, তিনি ব্যক্তি রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে নন। আগের রাজ্য জগদীপ ধনখড়ের নাম উল্লেথ না করে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, আগের রাজ্যপালরা রাজ্যের লিখে দেওয়া ভাষণ না পড়ে, তার পরিবর্তন করিয়েছিলেন। কিন্তু এই রাজ্যপাল তা করেননি। তিনি বলেছেন, রাজ্যপালকে দোষী করবেন না, কিন্তু উনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথে হেঁটেছেন।

আগের রাজ্যপালের মেরুদণ্ড সোজা ছিল
বিরোধী দলনেতা এদিন বলেন, রাজ্যের রাজ্যপালের মেরুদণ্ড সোজা ছিল। তবে বর্তমান রাজ্য সিভি আনন্দ বোস মেরুদণ্ড বিক্রি করেছেন কিংবা মেরুদণ্ড বেঁকে গিয়েছে কিনা, তা নিয়ে কিছু বলেননি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বর্তমান রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীকে অটল বিহারী বাডপেয়ী থেকে শুরু করে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে যে তুলনা করেছিলেন, তা নিয়ে এদিন কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলনেতা থেকে বিধানসভার বাইরে বিক্ষোভ দেখানো বিজেপির বিধায়করা। প্রসঙ্গক্রমে বলে রাখা ভাল রাজভবনে আসার পর থেকে রাজ্যপাল রাজ্য সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলার ইঙ্গিত দিয়ে এসেছেন।

সেকুলারিজম মানে কী?
রাজ্যপালের ভাষণে সেকুলারিজমের কথা বলা হয়েছে। এব্যাপারে কটাক্ষ করতে গিয়ে বিরোদী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সেকুলারিজমের মানে কি পীর সাহেবের বাড়ির সন্তান নওশাদ সিদ্দিকির টুপি ধরে টানা? শিলিগুড়িতে মূর্তি ভাঙচুর করা? বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের মদত দেওয়া? নাকি পয়সার মাধ্যমে গরিবদের খ্রিস্টান ধর্মে ধর্ম পরিবর্তন করা।












Click it and Unblock the Notifications