গাঁজার কেস দিতে প্রশাসনকে নির্দেশ অনুব্রত-র! কটাক্ষে রাহুল-সূর্য যা বললেন
প্রকাশ্যে আউশগ্রামের আইসি ও বর্ধমানের এসপিকে অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশ দেওয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
প্রকাশ্যে আউশগ্রামের আইসি ও বর্ধমানের এসপিকে অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশ দেওয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনুব্রত মণ্ডলকেই গাঁজার কেসে ধরা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন রাজ্য বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। কার অনুপ্রেরণায় অনুব্রত মণ্ডল এই ধরনের কথা বলছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র।

কথোপকথনে আউশগ্রামের বিধায়ক অভেদানন্দ থান্ডারকে নির্দেশ দিতে শোনা যায়, 'ফাইভ ম্যান কমিটি থেকে যে ছেলেটাকে বাদ দিলাম, ওকে অ্যারেস্ট করিয়ে দে।' আবার বিজেপি নেত্রীকে গাঁজার কেসে অ্যারেস্টের নির্দেশও দেন অনুব্রত মণ্ডল। বলেন 'মোটা মেয়েটার কী নাম। শাড়ির ব্যবসা করে। সঙ্গীতা নাম। ওকে অ্যারেস্ট করিয়ে দে। বিজেপি করে, ওকে অ্যারেস্ট করিয়ে দে। গাঁজা কেসে ধরিয়ে দে।'
এর পরেই জেলার সহসভাপতি অভিজিৎ সিংহকে নির্দেশ দেন, 'আউশগ্রামের আইসিকে ফোনে ধর, বর্ধমানের এসপিকে ফোনে ধর। ধরিয়ে দিই।'
এর প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিজেপির নেতা রাহুল সিনহা বলেছেন, বোধ শক্তি হারিয়ে গাঁজা খোরের মতো কথা বলছেন অনুব্রত। তাই অনুব্রতকেই গাঁজার কেসে ধরা উচিত। রাজনৈতিক নেতা এধরনের কথা বলেন না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। কী ভাবে তাঁদের কর্মীদের ফাঁসানো হচ্ছে, তা এই নির্দেশ থেকেই পরিষ্কার বলেও মন্তব্য করেছেন রাহুল সিনহা।
অন্যদিকে, সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রের প্রশ্ন, কার অনুপ্রেরণায় অনুব্রত মণ্ডল এই ধরনের কথা বলছেন। পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত কোনও মামলা দায়ের করবে কিনা সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
ইহা কি সত্য ? তাই যদি হয় তাহলে কার অনুপ্রেরনায়? পুলিশের স্বতপ্রনোদিত এফ আই আর- এর ভিত্তিতে ভিডিওটির ফরেন্সিক পরীক্ষার বিশ্বাসযোগ্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি? pic.twitter.com/YPhQjyFVTh
— Surjya Kanta Mishra (@mishra_surjya) September 2, 2018












Click it and Unblock the Notifications