RG Kar Hospital: আরজি কর কাণ্ডের ১১ দিন পার, সঞ্জয় ছাড়া ধরা পড়েনি কেউ, কাদের আড়াল করার চেষ্টা হচ্ছে?
আরজি কর হাসপাতালে ঘটনার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নির্যাতিতার শরীরে যে ধরনের আঘাত পাওয়া গিয়েছে তা যে কোনও একজনের পক্ষে করা সম্ভব নয় সেটা এক প্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে এই ময়নাতদন্তের রিপোর্টে। এদিকে ঘটনার ১১ দিন পরেও গ্রেফতার হয়েছে কেবল একজন সঞ্জয় রায়।
ঘটনার পরের দিনই কলকাতা পুলিশ গ্রেফতার করেছিল সঞ্জয় রায়কে। কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়। যদিও কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল সে আর কাজে নেই। ঘটনাস্থল থেকে সঞ্জয় রায়ের ইয়ার ফোন উদ্ধার করেছিল পুলিশ। এমনকী সিসিটিভি ফুটেজে তাকে সেমিনার হলে ঢুকতেও দেখা গিয়েছিল। কলকাতা পুলিশের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল সঞ্জয় রায়। পুলিশের বাইকে করে ঘুরে বেড়াত।

ঘটনার দিন সেমিনার হলে যে নির্যাতিতা চিকিৎসক থাকবেন সেটা সে আগে থেকেই জানত কিনা সেটা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। কলকাতা পুলিশের কাছ থেকে তদন্তভার গিয়েছে সিবিআইয়ের হাতে। সিবিআই সঞ্জয় রায়কে দফায় দফায় জেরা করেছে। কিন্তু তারপরেও তথ্য গোপনের চেষ্টা করছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। শেষ পর্যন্ত তার লাই ডিটেক্টর টেস্টের অনুমতি দিয়েছেন তদন্তকারীরা।
এদিকে নির্যাতিতার ময়নাতদন্তের রিপোর্টে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে জানা গিয়েছে নির্যাতিতার শরীরে যে পরিমাণ আঘাতের চিহ্ন রয়েছে তা কোনও একজনের পক্ষে সম্ভব নয়। একাধিক ব্যক্তির জড়িত থাকার সম্ভাবনা জোরাল হচ্ছে। নির্যাতিতার শরীরে রয়েছে একাধিক কামড় এবং আঁচড়ের দাগ। তাঁর গলা এমনভাবে জোরে টেপা হয়েছিল যে গলার হার ভেঙে গিয়েছে। গলা টেপার সময় যাতে চিৎকার করতে না পারেন সেকারণে মুখ চেপে ধরা হয়েছিল। তারও প্রমাণ মিলেছে। কাজেই একজন ব্যক্তি কীভাবে দুটি কাজ একসঙ্গে করতে পারে? তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
নির্যাতিতার গোপনাঙ্গে যে জৈবিক তরল পাওয়া গিয়েছে সেটার পরিমাণও ইঙ্গিত করছে কোনও একজন ব্যক্তির পক্ষে এই কাজ করা সম্ভব নয়। তাহলে সঞ্জয় রায় ছাড়া আর কে কে জড়িয় রয়েছে এই ঘটনায়। কাজের আড়াল করতে সঞ্জয় রায়কে সামনে রাখা হয়েছে বলে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। সঞ্জয়ের লাই ডিটেক্টর টেস্টে কি সেই আসল সত্যিটা বেরিয়ে আসবে?
এদিকে জানা গিয়েছে সিবিআই জেরার মুখে বারবার সঞ্জয় নাকি দাবি করেছে সে কিছু জানে না। যদি তাই হয় তাহলে ঘটনার দিন পরপর তিনবার সে সেমিনার হলে গিয়েছিল কেন। কাদের আড়াল করার চেষ্টা করছে সঞ্জয়। এই নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেয়েও কেন সিবিআই অন্যদের জড়িত থাকার তত্ব তলিয়ে দেখছে না বলে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।












Click it and Unblock the Notifications