এবার লালবাজার অভিযানে জুনিয়র চিকিৎসকরা, ঘটনার সকালে আরজি করে কোথাও ৪০ মিনিট, আবার কোথাও এক ঘণ্টা কেন দেরি
শুক্রবার নিয়ে পরপর চোদ্দো দিন সিবিআই জেরা করল আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের নানা দিক তদন্ত করে দেখছে। এদিকে জুনিয়র চিকিৎসকদের তরফে দোসরা সেপ্টেম্বর লালবাজার অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে।
সূত্রের খবর, চিকিৎসকের মৃতদের পাওয়ার পর কেন পুলিশকে জানাতে ৪০ মিনিট দেরি হল, তা বের করার চেষ্টা করছে সিবিআই। এছাড়াও খবর পাওয়ার পরে ঘটনাস্থলে যেতে পুলিশের দেরিতে আসার মধ্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অপরাধকে আড়াল করার চেষ্টা করছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে সিবিআই।

কলকাতা পুলিশের দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, নয় অগাস্ট সকাল সাড়ে নটায় ওই মহিলা চিকিৎসগকের দেহ উদ্ধার করা হয়। কিন্তু দশটা বেজে দশ মিনিটে টানা থানায় হাসপাতাল থেকে প্রথম ফোন করা হয়। প্রসঙ্গত, আরজি কর হাসপাতাল থেকে টালা থানার দূরত্ব প্রায় এক কিমি। যা গাড়িতে মিনিট চারেকে যাওয়া যায়। কিন্তু সেখানে পুলিশের পৌঁছতে একঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে বলে রিপোর্টে প্রকাশ। সিবিআই এই দেরির কারণ খতিয়ে দেখছে।
একইভাবে অভিযোগ উঠেছে দেহ উদ্ধার এবং ঘটনাস্থল সিল করার মধ্যে একঘণ্টা দেরি হয়। ঘটনাস্থলে সেই সময় বেশ ভিড়ও ছিল। এদিন সিবিআই-এর তরফে সন্দীপ ঘোষকে চোদ্দোতম বার জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি টালা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককেও জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই।
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর, তাদের হাতে ৯ অগাস্ট সকালের বেশ কিছু ছবি এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে সেমিনার হলে ভিড় রয়েছে। যা থেকে সুপ্রিম কোর্টের সামনে তারা দাবি করতে পারে অপরাধস্থলে প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা করা হয়েছে। যদিও এব্যাপারে কলকাতা পুলিশের দাবি, অপরাধস্থলে প্রমাণ নষ্ট করা হয়নি।
সিবিআই ইতিমধ্যেই অবশ্য সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে, তারা ঘটনার পর পঞ্চম দিনে তদন্তভার হাতে পেয়েছে। সেই সময়ের মধ্যে অপরাধস্থলের বেশ কিছু পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, আরজি কর হাসপাতালের চেষ্ট মেডিসিন বিভাগের অপরাধস্থলের ভিড়ে ঠাসা একটি ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল। যা নিয়ে কলকাতা পুলিশের ডিসিপি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের দাবি, মৃতদের যেখানে ছিল, সেখানে ঘিরে রাখা হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications