১২ তম দিনে জুনিয়র চিকিৎসকদের অনশন, অসুস্থতা বাড়ছে আন্দোলনকারীদের মধ্যে
২৫০ ঘণ্টা হতে চলল জুনিয়র চিকিৎসকদের আমরণ অনশনের। কেবল জল খাচ্ছেন আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা৷ ধর্মতলায় অনশন মঞ্চে আন্দোলনের ঝাঁঝ এতটুকুও কমেনি। বরং ক্রমেই সেই ঝাঁঝ বাড়ছে।
সাধারণ মানুষজন ভিড় করছেন ধর্মতলায় অনশন মঞ্চের সামনে। আজ বুধবার আমরণ অনশনের ১২ তম দিন৷ ধর্মতলার অনশন মঞ্চে গতকাল আরও দু'জন জুনিয়র চিকিৎসক অনশনে যোগ দিয়েছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, দাদা - দিদিরা অনশন আন্দোলন করছেন। তাঁরা না খেয়ে এভাবে থাকছেন৷ তাহলে তাঁরা কেন পারবেন না?

ধর্মতলায় অনশন মঞ্চে এখন অনশনকারীর সংখ্যা সাত জন। স্নিগ্ধা হাজরা, সায়ন্তনী ঘোষ হাজরা, অর্ণব মুখোপাধ্যায়, পরিচয় পাণ্ডা, অলোলিকা ঘড়ুই, রুমেলিকা কুমার ও স্পন্দন চৌধুরী এই মুহূর্তে ধর্মতলায় আমরণ অনশন করছেন। অনশনের পর থেকে জুনিয়র ডাক্তাররা সরে আসছেন না। এই কথা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। আন্দোলনকারীরা অসুস্থ হলে অন্যরা তাদের জায়গায় অনুষ্ঠান শুরু করবেন। এই ছবি মোটামুটি পরিষ্কার। অনুসরণ করার জন্য বহু জুনিয়র ডাক্তার অপেক্ষা করছেন। এই কথাও জানা গিয়েছে।
গতকাল ধর্মতলায় অনশন মঞ্চের সামনে থেকে মানববন্ধন কর্মসূচি করার কথা ছিল। সিনিয়র চিকিৎসকদের দ্রোহের কার্নিভাল ছিল রানি রাসমণি রোডে। সেই কর্মসূচিতে প্রচুর মানুষ জমায়েত হয়েছিলেন। সে কারণেই ধর্মতলা চত্বর কার্যত মানুষের মেলায় পরিণত হয়। শেষ পর্যন্ত আর মানববন্ধন কর্মসূচি করা সম্ভব হয়নি। তবে মানুষের অভূতপূর্ব সাড়ায় অভিভূত জুনিয়র চিকিৎসকরা।
চিকিৎসকদের শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে প্রতিদিন। শরীরে খাবার যাচ্ছে না। সেই কারণে খনিজ লবণের পরিমাণ কমছে। রক্তচাপ বেশ ওঠানামা করছে। অন্যান্য চিকিৎসকরা তাদের প্রতিদিন রুটিন চেকআপ করছেন। ১০ দফা দাবিতে তাদের আন্দোলন চলছে। সরকার তাদের দাবি সম্পূর্ণ না মানলে আন্দোলন চলবে। এ কথা গতকালও জানানো হয়েছে। কেবল মৌখিক প্রতিশ্রুতি নয়। কাজে সেই সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে। এমনই দাবি তুলেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।












Click it and Unblock the Notifications