জাতীয় নাগরিকপঞ্জী নিয়ে প্রতিবাদ! এনআরসি যখন দুর্গাপুজোর থিম
অসমে এনআরসির প্রতিবাদ প্রথমে হয়েছে এই বাংলা থেকেই। সেই এনআরসিই এবার থিম হিসেবে উঠে এসেছে কলকাতার পুজোয়। তৃণমূলের প্রতিবাদের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পুজোর থিমে এনআরসিকে নিয়ে এসেছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।
অসমে এনআরসির প্রতিবাদ প্রথমে হয়েছে এই বাংলা থেকেই। সেই এনআরসিই এবার থিম হিসেবে উঠে এসেছে কলকাতার পুজোয়। তৃণমূলের প্রতিবাদের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পুজোর থিমে এনআরসিকে নিয়ে এসেছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ। এই পুজোর প্রধান উদ্যোক্তা তৃণমূল নেতা তথা কলকাতা পুরসভার ১৩ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান সুশান্ত ঘোষ। রাজডাঙা নব উদয় সংঘের থিম শিল্পী সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

পুজোর থিম এনআরসি
দেশে বসবাস থেকে ডিটেনশন ক্যাম্প। এনআরসিতে নাম না থাকায় এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে অসমে। জাতীয় নাগরিকপঞ্জী ঘোষণা হওয়ার পর অসমের ১৯ লক্ষ বাসিন্দার পরিস্থিতি কার্যত উদ্বাস্তুদের মতো। এই সমস্যাকেই দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।
বিজ্ঞাপনী প্রচারে কাঁটাতার
পুজোর বিজ্ঞাপনী প্রচারেও কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। সেখানে দুই দেশের সীমান্তের প্রতীক কাঁটাতারকে ব্যবহার করা হয়েছে। থিমের নাম দেওয়া হয়েছে ঠিকানা।

৩ মাস আগে থেকে শুরু পুজোর কাজ
প্রতিবছরই কোনও না কোনও পুরস্কার পেয়ে আসছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ। সেই ধারা অব্যাহত রাখতে মরিয়া পুজো কর্তারা জুলাই মাস থেকে টিন দিয়ে মাঠ ঘিরে শুরু করে দিয়েছিলেন পুজোর প্রস্তুতি। সেই সময় থেকেই প্রায় ৫০ জন কারিগর কাঠ, প্লাইউড আর ফাইবার গ্লাস দিয়ে তাঁদের সৃষ্টি ফুটিয়ে তুলছেন। উদ্বাস্তুদের অবস্থা বোঝাতে ব্যাডমিন্টন র্যাকেট এবং শাটল কক। আর মণ্ডপের মধ্যে আই ক্যাচার হিসেবে রাখা হচ্ছে একটি বিশাল পাখি। যাদের পথ আটকাতে পারে না কোনও কাঁটাতার।












Click it and Unblock the Notifications