সিআইডি তদন্ত নয়, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে ডিভিশন বেঞ্চের স্থগিতাদেশ
ফের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এই স্থগিতাদেশ দিয়েছে। যোগেশচন্দ্র চৌধুরী ল কলেজের মামলায় এর আগে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ খারিজ করেছিল ডিভিশন বেঞ্চ।
যোগেশচন্দ্র চৌধুরী ল কলেজের অধ্যক্ষা সুনন্দা ভট্টাচার্য গোয়েঙ্কা জাল সংশাপত্র দেখিয়ে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। এই অভিযোগ উঠেছিল। ১২ অক্টোবর কলকাতা পুলিশের থেকে তদন্তভার নিয়ে সিআইডির হাতে দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই নির্দেশের উপরেই স্থগিতাদেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ।

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে এই মামলা চলছিল৷ নাটকীয় পট পরিবর্তন হয়েছিল এই মামলার। এর আগে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন অধ্যক্ষা চাকরি করতে পারবেন না। কলেজে তাঁর ঘর তালা বন্ধ রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়।
অধ্যক্ষা কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যান। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশ খারিজ করে দিয়েছিল। তাঁকে কাজে যোগ দিতে বলা হয়। তবে অধ্যক্ষার নথি, সংশাপত্র যে আসল, তার প্রমাণ দিতে হবে। এ কথাও জানিয়েছিল আদালত।
পরে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে মামলার শুনানি হয়। ১২ অক্টোবর বিচারপতি নির্দেশ দেন ওই তদন্ত এবার সিআইডি করবে। অধ্যক্ষার জমা দেওয়া কাগজপত্র আসল কী না, তার তদন্ত করবে সিআইডি। গত পাঁচ বছরে কলকাতা পুলিশের এন্টি ফ্রড সেকশন তদন্তে ব্যর্থ হয়েছে। সে কারণেই সিআইডিকে তদন্তভার দেওয়া হল।
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, অধ্যক্ষাকে জেরা করতে পারবে সিআইডি। প্রয়োজনে নিজেদের হেফাজতেও নিতে পারবে ওই অধ্যক্ষাকে। ১৮ অক্টোবর তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট দেখবে আদালত।
ফের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানানো হয়। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি সিদ্ধার্থ রায়চৌধুরীর ডিভিশন বেঞ্চে বুধবার শুনানি হয়। ডিভিশন বেঞ্চ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে। অর্থাৎ সিআইডি এই মামলায় অধ্যক্ষার বিরুদ্ধে তদন্ত করবে না।












Click it and Unblock the Notifications