ভূতুড়ে ভোটার' নিয়ে তোলপাড় বাংলা! ২৬ এর ভোট সামাল দিতে সিইও নিয়োগ করল কমিশন, জানেন তিনি কে?
Chief Electoral Officer, West Bengal: 'ভূতুড়ে ভোটার' নিয়ে তোলপাড় বাংলা! আর এর মধ্যেই বাংলায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন। মনোজকুমার আগরওয়ালকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বা সিইও হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। শুক্রবারই এই সংক্রান্ত বিজ্ঞতি জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে দেওয়া হয়েছে। আর সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ২০২৬ অর্থাৎ আগামী বছর বাংলার বিধানসভা নির্বাচন।
সেই ভোট পরিচালনার দায়িত্ব মনোজকুমার আগরওয়ালের কাঁধেই থাকবে বলে জানানো হয়েছে কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে।সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রাজ্যের নয়া মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বা সিইও (Chief Electoral Officer,West Bengal) মনোজকুমার আগরওয়াল পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের ১৯৯০ সালের আইএএস অফিসার। খুব শীঘ্রই তিনি সিইও'র দায়িত্ব নেবেন।

তবে মনোজকুমার আগরওয়ালের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভাবে বাংলায় ভোট করানো। ভূতুড়ে ভোটার ইস্যুতে লাগাতার নির্বাচন কমিশনের উপর চাপ বাড়াচ্ছে শাসকদল।
পাল্টা আধার কার্ডের সঙ্গে ভোটার কার্ডের লিঙ্ক করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ভোট করানোর দাবি তুলেছে বিজেপি। এই ইস্যুতে কমিশের দারস্থও হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী এন্ড কং। যদিও এই বিষয়ে ইতিমধ্যে ময়দানে নেমেও পড়েছে কমিশন। আর এর মধ্যেই বাংলায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বলে রাখা প্রয়োজন, এই পদে যোগ্য ব্যক্তি কে? সে নাম চূড়ান্ত করতে একাধিক নামের প্যানেল রাজ্যকে নির্বাচন কমিশনকে পাঠাতে হয়।
সেই প্যানেলের তালিকা থেকে একজন বেছে নিতে হয়। যা খবর, রাজ্যের তিওরফে যে তালিকা পাঠানো হয়েছিল সেখানে মনোজকুমার আগরওয়ালের নাম ছিল। সবদিক খতিয়ে দেখেই সিইও পদের জন্য তাঁকেই কমিশনের তরফে বেছে নেওয়া হল। যা খবর, অতিরিক্ত সচিব হিসাবে রাজ্যের অগ্নি ও জরুরি পরিষেবা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন এই আইএএস অফিসার। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত সচিব হিসাবে কাজের অভিজ্ঞতা আছে বন বিভাগ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরেও। এমনকী উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন বিভাগের সচিব হিসাবে দায়িত্ব সামলেছেন।
বলে রাখা প্রয়োজন, দীর্ঘ সময় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দায়িত্ব সামলেছেন আরিজ আফতাব। ২০১৯ সাল থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই পদ সামাল দেন। বাংলায় একের পর এক বিধানসভা নির্বাচন সামলানোর অভিজ্ঞতা ছিল আরিজ আফতাবের। সম্প্রতি অবসর নেন ওই পদ থেকে। কয়েকদিন ভারপ্রাপ্ত সিইও হিসাবে দায়িত্ব সামাল দেন দিব্যেন্দু দাস।












Click it and Unblock the Notifications