শহরের ভাগাড়ের মাংস থেকে সংক্রমণ! আক্রান্ত উত্তর থেকে দক্ষিণ অনেকেই
শহরে উত্তর থেকে দক্ষিণে বাসা বেঁধেছে নতুন জীবাণু টেক্সোপ্লাজমোসিস। প্রথমে জীবাণুর উৎস নিয়ে সন্দেহ থাকলেও, ভাগাড়ের মাংস থেকে এই জীবাণুর সংক্রমণ নিয়ে অনেকটাই নিশ্চিত শহরের চিকিৎসকরা।
শহরে উত্তর থেকে দক্ষিণে বাসা বেঁধেছে নতুন জীবাণু টেক্সোপ্লাজমোসিস। প্রথমে জীবাণুর উৎস নিয়ে সন্দেহ থাকলেও, ভাগাড়ের মাংস থেকে এই জীবাণুর সংক্রমণ নিয়ে অনেকটাই নিশ্চিত শহরের চিকিৎসকরা।

শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণে একাধিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রক্ত পরীক্ষায় ধরা পড়েছে টেক্সোপ্লাজমোসিস জীবাণু। শহরের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ঘাড় ফুলে যাওয়া এবং জ্বর আসা এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ। অনেকেরই ঘাড়ের কাছে ফোলা এবং জ্বর নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ায় তাঁরা রক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়ার পর থেকে এই রোগের কথা সামনে আসছে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকরা রোগীকে এফএনএসি পরীক্ষার কথা বলছেন।
মূলত বিড়ালের বিষ্ঠা ও মাংস থেকে এই রোগের সংক্রমণ হয়। তবে কোনও মরা বিড়াল যদি ভাগাড়ে ফেলা হয়, আর তার পাশেই যদি মরা পশু থেকে কাটা মাংস নিয়ে বিক্রির বন্দোবস্ত করা হয় তাহলে এই রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা প্রবল বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
২০১৪ সালে শহরে দু-একজনের দেহে এই রোগের সংক্রমণ হলেও, সাম্প্রতিক সময়ে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বলেই জানা গিয়েছে।
স্থানীয় সস্তার বিরিয়ানির দোকান থেকে ভাগাড়ের মাংস পেটে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন অনেকেই। এরসঙ্গে এবার যুক্ত হল টেক্সোপ্লাজমোসিসের আতঙ্ক।












Click it and Unblock the Notifications