বিজেপ বিধায়কদের বিরুদ্ধে জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলায় পুলিশকে কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের
কলকাতা হাইকোর্টে ফের ধাক্কা খেল রাজ্য। জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা প্রসঙ্গে বিজেপির বিধায়কদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তাই নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছিল চাপানউতোর। বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে কোনও পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। এমনই বক্তব্য কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ রেখেছিল।
বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে এই মামলা চলছে। শুক্রবার সেই মামলার শুনানিতেই ফের একই বক্তব্য শোনালেন বিচারপতি। জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার ক্ষেত্রে দুটি পৃথক মামলা হয়েছে রাজ্যে। দুটি মামলায় একসঙ্গে আগামী দিনে শুনানি হবে। এই কথাও আদালত জানিয়ে দিয়েছে।

বিধানসভায় জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার দ্বিতীয় মামলার এদিন শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে।অভিযুক্ত বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে কোনও রকম পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। বছর শেষের ছুটির মধ্যে ওই বিধায়কদের কোনও নোটিশ দিয়ে ডাকতে পারবেন না তদন্তকারীরা। এমনই কড়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১০ জানুয়ারি। একই ইস্যুতে দায়ের অপর একটি মামলাও চলছে হাইকোর্টে। এই দুটি মামলারই একই সঙ্গেই ১০ জানুয়ারি শুনানি করবে আদালত। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত এদিন এই কথা জানিয়ে দিয়েছেন। মামলাকারীদের তরফে আইনজীবী দাবি করেন, পুলিশি তদন্ত অবিলম্বে স্থগিত করা হোক।
রাজ্যের আইনজীবীর বক্তব্য, যেহেতু এই ইস্যুতে দায়ের আগের মামলার এই আদালতের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে ডিভিশন বেঞ্চে। সেই শুনানি এখনও হয়নি। সেই জন্য এই মামলা আপাতত না শোনার আবেদন করে রাজ্য। যদিও আদালত জানিয়ে দেয়, তদন্ত চললেও এই সময়ের মধ্যে বিধায়কদের ডাকা বা পদক্ষেপ করা যাবে না।
এর আগেও জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার মামলায় ধাক্কা খেয়েছিল রাজ্য। হঠাৎ করে কি জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া যায়? এই প্রশ্ন করেছিলেন বিচারপতি। জাতীয় সঙ্গীতকে কি ব্যবহার করা হচ্ছে? এই প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। পরিষ্কার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট।
বিধানসভায় বিজেপি বিধায়করা বিক্ষোভ করেছিলেন। সেই সময় তৃণমূলের পক্ষ থেকে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয়। তখনও বিজেপির তরফ থেকে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছিল। এই অভিযোগেই পুলিশে অভিযোগ দায়ের হয়।












Click it and Unblock the Notifications