মমতার ‘বড়মা’দরবারে আসছেন মোদী! আসন্ন লোকসভায় লক্ষ্য যখন মতুয়া-ভোট
লড়াই সেই মতুয়া ভোট নিয়ে। তৃণমূলের মতুয়া ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাতে তৎপর বিজেপি। তাই বনগাঁ-সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হানা দিতে পারেন ঠাকুরনগরে বড়মার দরবারে।
লড়াই সেই মতুয়া ভোট নিয়ে। তৃণমূলের মতুয়া ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাতে তৎপর বিজেপি। তাই বনগাঁ-সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হানা দিতে পারেন ঠাকুরনগরে বড়মার দরবারে। মতুয়া সমাজের ভোট পেতে এখন বাধা প্রোটোকল। প্রোটোকলে না আটকালে মোদী আশীর্বাদ প্রার্থী হতে পারেন মতুয়া সংঘের বড়মার।

বড়মার আশীর্বাদপ্রার্থী মোদী!
এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশীর্বাদ পেয়ে আসছেন বড়মার। এবার তিনি মোদীর মাথায় হাত রাখেন কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২ ফেব্রুয়ারি ঠাকুরনগরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। ঠাকুরনগরে তিনি সভা করবেন কি না এখনও স্পষ্ট নয়। তার উপর মতুয়া সম্প্রদায়ের সদস্যরা এনআরসি নিয়ে বিজেপির উপর ক্ষুব্ধ।

মতুয়ারাও সাড়া দেবেন মোদীর ডাকে!
তাই মোদী এলেও, বড়মা তাঁর আশীর্বাদের হাতে মোদীর মাথায় রাখবেন কি না, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন রয়েই যায়। তার উপর বড়মা অসুস্থ। তৃণমূলের বিশ্বাস, বড়মা বিশেষ স্নেহ করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না। আর মতুয়ারাও সাড়া দেবেন না মোদীর ডাকে।

পাখির চোখ যখন মতুয়া-ভোট
মোদীর সভা করার কথা ছিল বনগাঁয়। কিন্তু মতুয়া ভোটের লক্ষ্যে ঠাকুরনগরে সরিয়ে আনা হচ্ছে সভাস্থল। নিখিল ভারত মতুয়া মহাসংঘের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদী যোগ দিতে পারেন, সেখানেই বড়মার সঙ্গে দেখা করে আশীর্বাদ নিতে পারেন তিনি। ঠাকুরনগররে বীণাপাণিদেবীর পরিবার এখন দুভগে বিভক্ত। একদিকে তৃণমূল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের পরিবার। অন্যদিকে মঞ্জুলকৃষ্ণের পরিবার। এই বিভেদকে পাথেয় করেই মতুয়া ভোটব্যাঙ্কে থাবা বসাতে চাইছে বিজেপি।

বড়মার আশীর্বাদ পেয়েছেন মমতা
বাম আমলে মতুয়া ভোট বরাবর গিয়েছে শাসক দলের বাক্সে। আর তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই তা ঘুরে যায় তাদের দিকে। গত এক দশকে মমতাই বড়মার আশীর্বাদ পেয়ে এসেছেন। মমতার দখলেই থেকেছে মতুয়া ভোট। এইবার ঠাকুর পরিবারের বিভাজনকে আরও চওড়া করে ভোটব্যাঙ্কে থাবা বসানোর পরিকল্পনা করছে বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications