মুকুল খিদে পেলেই ছোটেন তৃণমূল নেতার বাড়িতে! বিস্ফোরক স্বীকারোক্তিতে নয়া জল্পনা
শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজ্য রাজনীতিতে এক নতুন ফক উন্মোচন হল। তৃণমূল নেতার বাড়িতে হঠাৎ হাজির বিজেপির লোকসভা নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যানের। এরপর তিনি যা ব্যাখ্যা দিলেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজ্য রাজনীতিতে এক নতুন ফক উন্মোচন হল। তৃণমূল নেতার বাড়িতে হঠাৎ হাজির বিজেপির লোকসভা নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যানের। আরও স্পষ্ট করে বললে সব্যসাচী দত্তের বাড়িতে হাজির মুকুল রায়। আর দেড়ঘণ্টা পর বেরিয়ে তিনি সাফ জানালেন, খিদে পেলেই তিনি এ বাড়িতে ছুটে আসেন। আজও তাই এসেছিলেন।

সব্যসাচী মুকুল-অনুগামী বলে পরিচিত ছিলেন একটা সময়ে, তা সর্বজনবিদিত। কিন্তু তা বলে লোকসভার প্রাক্কালে বর্তমানে বিজেপির মুখ মুকুল রায় তৃণমূলের মেয়রের বাড়িতে পা রাখবেন শুধু পারিবারিক বন্ধুত্বের খাতিরে, তা যেন ঠিকঠাক ঠেকছে না। তাই স্বভাবতই জল্পনার পারদ চড়ছে হু-হু করে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্তের বাড়িতে হঠাৎ আসেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক কাম মেয়র সব্যসাচী দত্তের বাড়িতে মুকুল রায়ের আসার কারণ নিয়ে শুরু হয়ে যায় কাটা-ছেঁড়া। তাহলে কি লোকসভার আগে সব্যসাচীও বিজেপিতে নাম লেখাতে চলেছেন? তাঁকেই বারাসতে প্রার্থী করা হতে পারে, তা নিয়েই তুঙ্গে ওঠে জল্পনা।
কিন্তু মুকুল রায় যে এই প্রশ্নের জন্য তৈরিই ছিলেন! বল পেয়েই স্ট্রেট ব্যাটে খেললেন। তিনি সাফ জানালেন, সব্যসাচীর সঙ্গে আমার দাদা-ভাইয়ের সম্পর্ক। খিদে পেলেই চলে আসি এ বাড়িতে। আজও এলাম। দশদিন আগেও এসেছিলাম। দুমাস আগেও এসেছিলাম। আজ লুচি-আলুর দম খেলাম, ছানার জিলিপিও খেলাম। এবার বাড়ি।
একইসঙ্গে তিনি জানালেন কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি সব্যসাচীর সঙ্গে। আমি এলাম বলেই যে সব্যসাচী বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে, এ ধারণা ভুল। প্রায়ই আসি। আজও এসেছিলাম। এদিন প্রায় দেড় ঘণ্টা সব্যসাচীর বাড়িতে ছিলেন মুকুল রায়। সব্যসাচীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে মুকুল বলেন, ভারত-পাকিস্তান নিয়ে আলোচনা হয়েছে, ভারত-অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট নিয়ে কথা হয়েছে, কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications