অপরূপা হয়ে পালকিতে চড়ে চলেছেন উমা বাপের বাড়ি, চলুন দেখা যাক মুদিয়ালি ক্লাবের পুজো
দশকের পর দশক ধরে প্রতিমার রূপ একই রকম। মুদিয়ালি ক্লাবের পুজোর কথা শুনলে দর্শণার্থীদের মনে এই বিষয়টি সবার আগে আসে। আর এই প্রতিমার রূপই মুদিয়ালি ক্লাবের পুজোর আকর্ষণ। এবারও সেরা প্রতিমার শারদ সম্মান পেয়
দক্ষিণ কলকাতার আরও এক সেরা পুজো মুদিয়ালি। কয়েক দশক ধরে সাবেকিয়ানা আর মণ্ডপ বৈচিত্রে কলকাতার অন্যতম সেরা পুজো হয়ে উঠেছে মুদিয়ালি ক্লাব। এই বছর এই পুজো কমিটির ৮৩তম বর্ষ। সভ্যতার শুরুতে মানুষ এক স্থান থেকে অন্যস্থানে কী ভাবে যাতায়াত করত এবং কীভাবে পাল্কির উদ্ভাবন হল-- সেই ছবি মণ্ডপে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।



মণ্ডপের বিভিন্ন স্থানে স্থান পেয়েছে ঘোড়া, হাতির মোটিফ। মা দুর্গার মূল মণ্ডপটি করা হয়েছে পাল্কির আদলে। যেন মনে হবে পাল্কিতে চড়ে মা ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে নিয়ে বাপের বাড়ি পাড়ি দিয়েছেন। আর পাল্কির আশপাশে থাকা ঘোড়া, হাতিদের দেখলে মনে হবে- তারাও যেন মা-কে বাড়ি পৌঁছে দিতে পাল্কির আগে-পিছে পা মিলিয়েছে।


মুদিয়ালি-র বিষয়-ভাবনা যেমন এবার আকর্ষণ করছে দর্শণার্থীদের তেমনি মণ্ডপ সাজাতে ব্যচবহৃত কঁচি বাঁশ, টিস্যু পেপার আর ফোম-ও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। মণ্ডপ জুড়ে এমন এক স্নিগ্ধতা বিরাজ করছে যে দর্শণার্থীদের নজর প্রবলভাবে টানছে। মণ্ডপের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে একচালায় দুধসাদা শাড়ি আর লাল পাড়ে মা-এর মূর্তিও দর্শণার্থীদের প্রশংসা পাচ্ছে।













Click it and Unblock the Notifications