Medinipur Saline Case: “ভেজাল ছিল না স্যালাইনে,” হাইকোর্টে রিপোর্ট দিয়ে দাবি রাজ্যের; নিশানায় চিকিৎসকরাই?
Medinipur Saline Case: মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে স্যালাইনকাণ্ডে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) রিপোর্ট জমা করল রাজ্য। প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনায় স্যালাইন আসলে বিষাক্ত ছিল না বলে রিপোর্টে (Report) উল্লেখ করল রাজ্য। স্যালাইনে কোনও ভেজাল বা মেয়াদ উত্তীর্ণ ছিল না বলে আদালতে জানাল রাজ্য। রিঙ্গার ল্যাকটেট স্যালাইনকে ক্লিনচিট দেওয়া হল রাজ্যের তরফে।
বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে ছিল স্যালাইনকাণ্ডের (Expired Saline Fluid) জনস্বার্থ মামলার শুনানি। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চে ল্যাব রিপোর্ট (Lab Report) জমা দেয় রাজ্য। মোট দুই ভাগে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়।

রাজ্যের এজি কিশোর দত্ত জানান, দ্বিতীয় অংশ আদালতের কাছে জমা থাকবে। প্রকাশ্যে আনা হবে না সেই রিপোর্ট। তবে প্রথম অংশ আদালত পড়বে ও মামলাকারীকে দেওয়া হবে। ১০ দিন পর মামলার পরবর্তী শুনানি।
যদিও স্যালাইনের গুণগত মান নিয়ে রাজ্য দায় এড়িয়ে যেতে পারেনা বলে পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের। রাজ্যের উদ্দেশ্যে প্রধান বিচারপতি বলেন, "সংবাদপত্রে পড়লাম সব স্যালাইন তুলে নেওয়া হয়েছে। তাহলে স্যালাইন সরবরাহে রাজ্য করেছিল তা কি প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না? স্যালাইনের গুণগত মান নিয়ে রাজ্যেরও তো দায় রয়েছে।"
প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, "আপনারা কি নিজেদের স্যালাইন ব্যবহার করতে পারেন না? এমন ইন্ডাস্ট্রি করতে গেলে কত খরচ হতে পারে? আদৌ কি কোন ওষুধ কোম্পানি আছে এ রাজ্যে?" প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির। এজি জানান এ বিষয়ে তিনি জেনে বলতে পারবেন।
সূত্রের খবর, রিপোর্টে রাজ্য জানিয়েছে, ঘটনার দিন রাতে কোন সিনিয়র ফ্যাকাল্টি ছিল না। আরএমও ছিলনা। পাঁচটা সি সেকশনে সব জায়গায় সমান নজরদারি করা সম্ভব হয়নি। এই নিয়ে সিআইডি তদন্ত করছে।
যদিও এজি বলেন, মেদিনীপুর মেডিক্যালের স্যালাইনে কোনও বিষাক্ত কিছু ছিল না। বছরের শুরুতেই মেদিনীপুর মেডিক্যালে প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় পড়ে যায়। ৮ জানুয়ারি প্রসূতির মৃত্যু হয়েছিল। একই সময়ে সিজার হওয়া আরও তিন প্রসূতির অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে যায়।
মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন প্রয়োগেই এই পরিণতি বলে অভিযোগ ওঠে। আগে থেকে জানানোর পরেও রাজ্যের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ তোলেন চিকিৎসকরাও। প্রতিবাদ প্রতিরোধে উত্তাল হয় রাজ্যের সর্বত্র। প্রশ্নের মুখে পড়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা।
মেদিনীপুর মেডিক্যাল থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিন প্রসূতিকে গ্রিন করিডর করে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে আনা হয়। সুস্থ হয়ে পরে তারা বাড়ি ফিরেছেন। যদিও স্যালাইন বিতর্কে চিকিৎসকদের কোর্টেই বল ঠেলে রাজ্য। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ করে রাজ্য। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বসে রিপোর্ট প্রকাশ করে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ বলেন, চিকিৎসকদেরই গাফিলতি ছিল।
একই কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ১২ জন চিকিৎসককে সাসপেন্ড করেন মমতা। হাসপাতালের সুপার ও এক জুনিয়র চিকিৎসককেও সাসপেন্ড করা হয়। আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। সেই মামলাতেই রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করে আদালত। তার প্রেক্ষিতেই রিপোর্ট জমা করে রাজ্য। এদিকে, রাজ্যের সঙ্গে সুর মিলিয়েই স্যালাইন নির্মাতাদের তরফেও আদালতে বলা হয়, তাদের স্যালাইনে কোনও সমস্যা ছিল না।
-
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা? -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব! শিল্পে ধাক্কা, একলাফে বাড়ল ডিজেলের দাম, কত হল? জানুন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে












Click it and Unblock the Notifications