৪ দশকের সবথেকে বড় সভা! মমতার ব্রিগেডে 'না'-এর তালিকায় এঁরাও
১৯-এর ব্রিগেডের সমাবেশে সম্ভবত আসছেন না বিএসপি নেত্রী মায়াবতী। তবে নিজে না এলেও তাঁর প্রতিনিধি পাঠাবেন বলে সূত্রের খবর।
১৯-এর ব্রিগেডের সমাবেশে সম্ভবত আসছেন না বিএসপি নেত্রী মায়াবতী। তবে নিজে না এলেও তাঁর প্রতিনিধি পাঠাবেন বলে সূত্রের খবর। সূত্রের আরও খবর, এর আগে রাজ্য নেতৃত্বের বিরোধিতার কারণে রাহুল গান্ধী থেকে সনিয়া গান্ধী ব্রিগেডের সমাবেশে না থাকার কথা জানিয়ে দেন। কংগ্রেসের তরফে মল্লিকার্জুন খার্গে সমাবেশে থাকবেন বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং।

আসছেন না সনিয়া, রাহুল
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি এর আগে জানিয়েছিলেন প্রয়োজন পড়লে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস একাই লড়াই করবে। সেইজন্য রাহুল ও সনিয়ার ব্রিগেডের সভায় যাতে অনুপস্থিত থাকেন, সেজন্য অনুরোধ করা হয় বলে খবর। একইসঙ্গে কাউকে ব্রিগেডের সভায় কাউকে নিমন্ত্রণ না জানানোয় খুশি কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্ব।
যদিও অন্য একটি সূত্রের খবর মহাজোটের প্রধানমন্ত্রীত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়াতেই রাহুল গান্ধী কিংবা সনিয়া গান্ধী আসছেন না।

সাড়া দেননি মায়াবতী
সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীত্বের অন্যতম দাবিদার বিএসপি প্রধান মায়াবতীও তৃণমূলের ব্রিগেডের ডাকে সাড়া দেননি। তবে শেষ মুহূর্তে দলের তরফে কলকাতায় কাউকে পাঠানো হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

অনিশ্চয়তা চন্দ্রশেখর রাওকে নিয়ে
সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করা তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের উপস্থিত থাকা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তিনি রাহুল গান্ধী কিংবা তাঁর দলের নেতাদের সঙ্গে একই মঞ্চে থাকতে চান না, এই অজুহাতে ব্রিগেডে অনুপস্থিত থাকতে পারেন বলে সূত্রের খবর।

নেই বামেরা
প্রশ্নের উত্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি বামেদের মধ্যে কেরলের মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু তারা কিছুই জানায়নি।












Click it and Unblock the Notifications