২১ জুলাই উপলক্ষে আজ ধর্মতলায় মমতার সভা, অচল হবে মহানগর

১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই যুব কংগ্রেসের একটি মিছিলে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল পুলিশ। সেই মিছিলের পুরোভাগে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৩ জন মারা গিয়েছিল পুলিশের গুলিতে। তখন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন জ্যোতি বসু। তার পর থেকে প্রতি বছর এই দিনটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পালন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি হওয়ার পর থেকে তা বাড়তি মাত্রা পায়। অন্যান্য বারের মতো এ বারও তাই গুরত্ব সহকারে পালিত হবে ২১ জুলাই।
তবে এ বারের সমাবেশ একটি কারণে আলাদা হবে বলে অনুমান। গত দু'দশক ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা বর্ষিত হত সিপিএমের বিরুদ্ধে। কখনও সখনও কংগ্রেসকেও টেনে আনতেন তিনি। এ বারই প্রথম বিজেপির উদ্দেশে সিংহভাগ আক্রমণ শানাবেন তিনি। সুব্রত বক্সি, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখও একই সুরে কথা বলবেন। কারণটা পরিষ্কার। সিপিএম ও কংগ্রেস এখন এ রাজ্যে প্রান্তিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। অথচ দ্রুত উঠে আসছে বিজেপি। দক্ষিণবঙ্গে এখন তারা অন্যতম শক্তি। যে বিজেপিকে এক সময় খুঁজকে দূরবীণ লাগত, তারাই এখন শাসক দলকে চ্যালেঞ্জ করছে। বিজেপির এই উত্থানে শঙ্কিত তৃণমূল কংগ্রেস। তাই আজ ধর্মতলার সভায় নরেন্দ্র মোদী তথা বিজেপিকে ধুনবে রাজ্যের শাসক দল। ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে ৩২০০ বর্গফুটে মঞ্চ বাঁধা হয়েছে। এই মঞ্চেই থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ দলের প্রথম সারির নেতারা। টলিউডের কলাকুশলীরাও উপস্থিত থাকবেন।
এদিকে, গতকাল রাত থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মিছিল আসতে শুরু করেছে। হাওড়া স্টেশন, শিয়ালদহ স্টেশন, ময়দানে রাত কাটিয়েছে অনেকে। এ বার প্রতিটি জেলা থেকে কত লোক আসবে, তার টার্গেট ঠিক করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং।
সকাল থেকেই স্ট্র্যান্ড রোড, এস এন ব্যানার্জি রোড, লেনিন সরণী, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ, খিদিরপুর রোড, আউট্রাম রোড, জওহরলাল নেহরু রোড ইত্যাদি রাস্তাগুলিতে যান নিয়ন্ত্রণ শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications