Narkeldanga Fire: বিধ্বংসী আগুন নারকেলডাঙার বস্তিতে, পুড়ে ছাই পরপর ঝুপড়ি; মধ্যরাতে ঘরছাড়া বহু মানুষ
Narkeldanga Fire: ফের কলকাতায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড। নারকেলডাঙায় আগুন লেগে পুড়ে ছাই ৩০টিরও বেশি ঝুপড়ি। শনিবার রাত দশটা নাগাদ বিস্তৃত এলাকায় আগুন লাগে বলে জানা গিয়েছে। রাত ১২টা পেরিয়ে গেলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ঘটনাস্থলে দমকলের ১৭টি ইঞ্জিন পৌঁছেছে। রাতের শহরে অগ্নিকাণ্ডে ঘরছাড়া বহু মানুষ। আতঙ্ক এলাকাজুড়ে।
হতাহতের কোনও খবর না থাকলেও পুড়ে গিয়েছে সর্বস্ব। একাধিক পকেট ফায়ার থাকায় আগুন নেভাতে রীতিমতো বেগ পেতে হচ্ছে দমকল বাহিনীকে। বস্তিতে প্রচুর পরিমাণ দাহ্য পদার্থ মজুত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগুন লেগেছে কাপড়ের গোডাউনেও। বেআইনিভাবে কাপড়ের গোডাউন তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের একাংশের আবার দাবি, সিলিন্ডার ফেটে আগুন লাগে।

দমকল তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা দেরিতে এসেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তবে দমকলের তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পুলিশও আধঘণ্টা দেরিতে আসে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। মুহূর্তের মধ্যেই কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। আগুন ছড়িয়ে পড়ায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা পিক আপ ভ্যান ও একটি ট্রাকেও আগন লেগে যায়।
দমকলের সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগিয়েছেন সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরাও। স্থানীয় বাসিন্দারাও প্রথম থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়েন আগুন নেভানোর কাজে। যদিও আগুনের শিখা এতটাই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে আসবাবপত্র থেকে নথিপত্র, কিছুই বাঁচানো যায়নি। স্থানীয়দের দাবি, বস্তা, কার্টন, তুলো-সহ কাপড়ের ছাঁটের ব্যবসা চলত সেখানে। সেগুলো থেকেই ছড়িয়ে পড়ে আগুন।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, দমকল বিভাগের সিনিয়র আধিকারিক রয়েছেন ঘটনাস্থলে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে আগুন নেভানোর কাজ চলছে। দাহ্য পদার্থ থেকে আগুন লেগেছে বলে জানা যাচ্ছে। তুলো-কাগজ রয়েছে। ফলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে আগুন। তবে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা নেই। রাত ১টা বাজতে গেলেও আগুন নেভার কোনও লক্ষণ নেই। এলাকা ঘিঞ্জি হওয়াতেও বেগ পেতে হচ্ছে আগুন নেভাতে।












Click it and Unblock the Notifications