দামের ছ্যাঁকায় মধ্যবিত্ত, লক্ষ্মীপুজোর আগে বাজার যেন তেতেপুড়ে রয়েছে
লক্ষ্মীপুজোর বাজার করতে গিয়ে কার্যত দফারফা মধ্যবিত্ত বাঙালির। কারণ ফল থেকে সবজির বাজার, সবখানেই যেন তেতেপুড়ে রয়েছে। বাজার আগুন হয়ে রয়েছে। কোন সবজি ছেড়ে কোনটা কেনা হবে? সেই ভাবনাতেই কিছুটা সময় শুরুতে কেটে যেতে পারে সাধারণ বাঙালি কর্তার।
আজ বুধবার সন্ধ্যায় কোজাগরী পূর্ণিমার তিথি লাগবে৷ বাংলার ঘরে ঘরে লক্ষ্মীপুজোর আয়োজন। আর সেই লক্ষ্মীপুজো মানেই খিচুড়ি, বেগুন ভাজা, আলুরদম, কুমড়ো ভাজা, ছেচকি, লাবড়া। নিমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়ণ। কিন্তু এবার যে জিনিসপত্রে হাত ছোঁয়ানো যাচ্ছে না।

কলকাতা ও আশপাশের বাজারগুলিতে সবজি, আনাজপাতির অনেকটাই দাম। বহু সবজিতে হাত ছোঁয়ানো পর্যন্ত দায় হয়েছে। কী কী সবজি কেনা হবে? সেই বিষয়ে শেষ সময়ে কাটছাট করে ম্যানেজ করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের।
বাঁধাকপি, ফুলকপি, বেগুন, কুমড়ো, রববটি, মিষ্টি আলু, সব কিছুই আকাশছোঁয়া দাম। বাঁধাকপি প্রতি কেজিতে দাম ৬০ টাকা। ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি। বেগুনের দাম হয়েছে কেজি প্রতি ১৫০ টাকা। সাধারণ পটোল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজিতে। মিষ্টি আলুর দাম কেজি প্রতি ৬০ টাকা। লঙ্কার দাম ২০০ টাকা কেজি। এই সব দামের ওঠানামা আবার বাজার সাপেক্ষে বিভিন্ন। ফলে কোন সবজি কিনবে মানুষ ভোগের রান্নার জন্য?
সবজির পাশাপাশি ফলের বাজারেও দাম চড়েছে লাফিয়ে৷ লক্ষ্মীপুজোয় থালাভরা ফল দেওয়ার ক্ষেত্রেও কী কী কেনা হবে? তাই নিয়ে অনেক মধ্যবিত্তই ভেবেছেন। সামান্য পেয়ারা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি। ভালো মুসাম্বি লেবুর ডজন ১২০ টাকা। বাতাবি লেবু ৫০ টাকা কেজি। আপেল কেজি প্রতি প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। একটি গোটা আখ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়৷ পাঁচ রকম ফল পুজোর জন্য কিনতে হবে৷ ফল প্রসাদে ঘাটতি হলেও চলবে না। তাই বাধ্য হতেই পরিমাণ মতো ফল দরদাম করে, বুঝে কিনতে হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications