নন্দীগ্রামের পর ভাঙড়েও তৃণমূলের হাত ধরে প্রবেশ মাওবাদীদের! ব্যাখ্যা দিলীপ ঘোষের
ভাঙড় অগ্নিগর্ভ হওয়ার পিছনে মাওবাদী যোগ রয়েছে বলে মনে করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তৃণমূলের সঙ্গে হাত মিলিয়ে মাওবাদীরা ভাঙড়কে উত্তপ্ত করতে ইন্ধন জোগাচ্ছেন।
কলকাতা, ১৮ জানুয়ারি : ভাঙড় অগ্নিগর্ভ হওয়ার পিছনে মাওবাদী যোগ রয়েছে বলে মনে করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তৃণমূলের সঙ্গে হাত মিলিয়ে মাওবাদীরা ভাঙড়কে উত্তপ্ত করতে ইন্ধন জোগাচ্ছেন। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তো রয়েছেই, বিশেষ কোনও রাজনৈতিক দলও রয়েছে এর মধ্যে। যারা মাওবাদীদের এগিয়ে দিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে আবার প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠতে চাইছে।[ভাঙড়ের পরিস্থিতি সামলাতে আসরে নামছেন মুখ্যমন্ত্রী, ভবানি ভবনে পুলিশকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক]
দিলীপবাবুর আরও অভিযোগ, নন্দীগ্রামে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই মাওবাদীদের ডেকে এনেছিলেন। আবার ভাঙড়ে প্রবেশ করল মাওবাদী। সেই তৃণমূলেরই হাত ধরে মাওবাদীদের প্রবেশ। তৃণমূল সরকারের হাত রয়েছে এ সবের মধ্যে। রাজ্য সরকারকেই এবার পরিস্থিত সামলাতে হবে।[কেন ভাঙড়ে যাচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রী? হিম্মত নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সূর্যকান্ত মিশ্র]

বর্তমানে রাজ্য রাজনীতি যেদিকে এগচ্ছে, তাতে ভবিষ্যতের লড়াইটা তৃণমূল কংগ্রেস বনাম বিজেপি-ই হতে চলেছে। বিজেপিকে ঠেকানোর কোনও উপায় না পেয়ে রাজ্যকে উত্তাল করে দেওয়া হচ্ছে। ভাঙড়ের পুরো ঘটনাটাই একটা রহস্যে মোড়া। আদতে মনে হচ্ছে এটা তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব। যাঁরা আন্দোলন করছে, তাঁরা তৃণমূলকেই ভোট দিয়েছিল। এখন তাঁরাই গুলি খাচ্ছে।[বহিরাগতদের নেপথ্যে কে? তিন বছর পর কোন পথে সংগঠিত ভাঙড়ের জমি আন্দোলন?]
তৃণমূলের লড়াইয়ে নকশালপন্থীদের যোগ ইতিমধ্যেই মিলেছে। তার পিছনে আরও অনেক যোগসূত্র মিলবে। তবে ভাঙড়ে যা হচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ব্যবস্থা নিয়ে শান্তি ফেরানোর উদ্যোগ নিতে হবে। বাংলায় হিংসা, খুন বন্ধ করুক রাজ্য সরকার। তা না হলে ভবিষ্যতে তা বৃহদাকার ধারণ করবে।[ভাঙড়ের ঘটনা তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, দাবি বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার ]
বিজেপি রাজ্য সভাপতি মনে করেন, একেবারে নন্দীগ্রাম স্টাইলে এই আন্দোলন চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যাঁরা এটা করছে, তাঁরা পূর্ব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন।












Click it and Unblock the Notifications