সত্য সামনে আসুক, সত্য সুন্দর! বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন মানিকের
আপনিই বিচার করুন! সত্য সামনে আসুক, সত্য সুন্দর। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে হাত জড়ো করে এমনটাই আবেদন করলেন মানিক ভট্টাচার্য। আজ নজিরবিহীন ভাবে দু'ঘন্টার নোটিশে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যানকে তলব করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

সেই মতো দুপুর তিনটের সময়ে তাঁকে বিচারপতির এজলাসে হাজির করানো হয়। এরপর প্রায় ত্রিশ মিনিট ধরে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরা করেন। একাধিক বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। জিজ্ঞাসাবাদে এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানির নাম উঠে আসে।
যদিও এই বিষয়ে মানিক জানান, কোম্পানির নাম শুনেছি বলে মনে হচ্ছে, কিন্তু নিশ্চিত নই। পাশাপাশি Apptitude টেস্ট নিয়ে তাঁর দায়িত্বের সময়ে কোনও অভিযোগ আসেনি বলেও এদিন জানান তৃণমূল বিধায়ক।
এমনকি ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও মানিক ভট্টাচার্যকে একাধিক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সিলেকশন কমিটি তৈরি করা হয়েছিল? তা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। উত্তরে মানিক জানান হ্যাঁ জানান। এমনকি পর্ষদ এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বলে জানান তিনি। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব শেষে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, সত্য সামনে আসা দরকার।
তবে মানিক জানান, আদালত ডেকেছে তাই এসেছি। আমি জেলে রয়েছি। আমার কাছে কোনও তথ্য বা নথি নেই। তাই স্মরণে যা আছে তাই বলতে পারি।
দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর পর্বের শেষে মানিক ভট্টাচার্যকে ডেপুটি শেরিফে ঘরে নিয়ে গিয়ে বসানোর কথা বলেন বিচারপতি। এমনকি চা, কফি, ঠান্ডা পানীয় দেওয়ার জন্যেও বলেন বিচারপতির। এরপর ফের একবার মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে কথা বলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। একান্তে প্রায় ১০ মিনিট কথা হয় বলে জানা গিয়েছে। এরপর কলকাতা হাইকোর্ট থেকে ফের প্রেসিডেন্সি জেলের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয় মানিক ভট্টাচার্যকে।
অন্যদিকে এদিন ফের একবার খারিজ হয়ে যায় বলাগড়ের বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ফের একবার তাঁকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আজ বুধবার প্রাক্তন এই যুব নেতাকে আদালতে তোলা হয়। আর সেখানেই ইডির তরফেই বিস্ফোরক দাবি করা হয়।
বলা হয়, ভবিষ্যতে বুঝতে পারবেন কী হতে চলেছে। এমনকি এই বিষয়ে কেস ডায়েরি দেখে নেওয়ার জন্যেও বিচারপতি বলেন ইডির আধিকারিকরা। সেখানে একাধিক প্রভাবশালীর নাম দেখার কথা বলেন তাঁরা। সূত্রে খবর, অন্তত ৭ থেকে ৮ জন অতি প্রভাবশালীর নাম ইডি পেয়েছে। তদন্তের স্বার্থে সেগুলিকে প্রকাশ্যে আনতে চান না তদন্তকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications