মমতা দিল্লি থেকে গুজরাটে পাঠাবেন ‘তুঘলকি’ মোদীকে, নিশানা তৃণমূলের সপ্তরথীর
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দিল্লি থেকে গুজরাটে পাঠানোর বার্তা দিল তৃণমূল কংগ্রেস। মোদীর পাল্টা সভা করে তৃণমূলের সপ্ত রথী কড়া তোপ দাগলেন নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে।
এই মেদিনীপুরের মাটিতে দাঁড়িয়েই দু'সপ্তাহ আগে তৃণমূলের সিন্ডিকেট রাজের অবসান চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার তাঁর পাল্টা সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দিল্লি থেকে গুজরাটে পাঠানোর বার্তা দিল তৃণমূল কংগ্রেস। মোদীর পাল্টা সভা করে তৃণমূলের সপ্ত রথী কড়া তোপ দাগলেন নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে। দেশকে নেতৃত্ব দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়োজনীয়তার কথা বললেন তাঁরা।

গত ১৬ জুলাই মেদিনীপুর কলেজ ময়দানে সভা করে নরেন্দ্র মোদী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সবকিছুতেই সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন বলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন। সিন্ডিকেট করেই তৃণমূল ভোটে জিতছে বলেও অভিযোগ ছিল তাঁর। তার প্রত্যুত্তরে শনিবার প্রধানমন্ত্রীকে পাল্টা দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তৃণমূলকে সিন্ডিকেট করে ভোট করতে হয় না। তার কারণ তৃণমূলের উন্নয়নের সিন্ডিকেট আছে। কন্যাশ্রী-সবুজশ্রীর সিন্ডিকেট আছে। নরেন্দ্র মোদীর মতো গুজরাটের দাঙ্গার সিন্ডিকেট নেই। খুনের সিন্ডিকেট নেই।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একই সুরে বলেন, হ্যাঁ, আমরা সিন্ডিকেট করেছি। তা মানুষের সিন্ডিকেট। আর একটা সিন্ডিকেট করতে চলেছি আমরা, তা হল বিজেপির ভারত ছাড়ো সিন্ডিকেট। পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা আমাদের নেত্রী হিসেবে পেয়েছি এমন একজনকে যিনি জনগণের পাহারাদার। সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দেশকে নেতৃত্ব দেবেন। শুধু বাংলায় নয়, এখন ভারতের প্রয়োজন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বকে।
তার আগে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখন সংসদে একজন মহম্মদ বিন তুঘলকে দেখতে পাচ্ছি। তিনি একের পর এক তুঘলকি সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশকে রসাতলে পাঠাচ্ছেন। নোটবন্দি থেকে শুরু করে জিএসটি- সর্বত্রই তুঘলকি সিদ্ধান্তের ছায়া স্পষ্ট। তাই এই অপশাসনের মুক্তি দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেশের নেতৃত্বে আনতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই পারেন তুঘলকি প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লি থেকে গুজরাটে পাঠাতে।
এদিন মেদিনীপুরের সভা থেকে বিজেপিকে শুধু রথ আর তলোয়ারের কথা বলা দল বলে কটাক্ষ করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়রা। ফিরহাদ হাকিম বলেন এই বাংলায় সাম্প্রদায়িকতার কোনও স্থান নেই। এছাড়াও সুব্রত বক্সি, মানস ভুঁইয়া-রাও তোপ দাগেন বিজেপি তথা নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশ্যে। দাবি ওঠে, দিল্লি থেকে ভাড়াটে লোক এনেও তারা কিছু করতে পারবে না বাংলায়। কারণ বাংলায় আমাদের সঙ্গে মানুষ আছেন।












Click it and Unblock the Notifications