বুলডোজার দিয়ে আগে গুড়িয়ে দেবে! সম্পত্তি বৃদ্ধি ইস্যুতে বিস্ফোরক মমতা
কলকাতা হাইকোর্টে একের পর এক সম্পত্তি বিস্তার সংক্রান্ত মামলা! শাসক এবং বিরোধী শিবিরের একাধিক নেতা-নেত্রীর সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। আর এই বিতর্কের মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্
কলকাতা হাইকোর্টে একের পর এক সম্পত্তি বিস্তার সংক্রান্ত মামলা! শাসক এবং বিরোধী শিবিরের একাধিক নেতা-নেত্রীর সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। আর এই বিতর্কের মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তাঁর পরিবারের সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়ে নয়া মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে।
শুধু তাই নয়, বাজারের থেকে অনেক কম দামে পরিবারের সদস্যরা জমি কিনেছে বলেও অভিযোগ ওই মামলায়। আর তা নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। আর এই অবস্থায় মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।

সম্পত্তির উপরেও নাকি বসে রয়েছি?
আজ বুধবার নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠক ছিল। আর সেই বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি আসেন তিনি। যেখানে একাধিক ইস্যুতে কথা বলেন মমতা। আর তা বলতে গিয়েই সম্পত্তি প্রসঙ্গ টেনে আনেন তিনি। বলেন, মামলা তো যে কেউ করতে পারে। কিন্তু এখনও কোনও শুনানি হয়নি, কেউ সওয়াল করারও সুযোগ পায়নি। আর তা বলতে গিয়ে মমতা বলেন, কোনও একটা চ্যানেল দেখাল আমার নাকি স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি সরকার সম্পত্তির উপরেও নাকি বসে রয়েছি বলে দাবি করা হয়েছে।

তদন্ত করে দেখার নির্দেশ
পুরো বিষয়টিকে মুখ্য সচিবকে তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে এদিন জানান মুখ্যমন্ত্রী। আর ওই তদন্তে যদি দেখা যায় আমার কোনও সরকারি জায়গায় রয়েছে বা আমি কাউকে জমি পাইয়ে দিয়েছি তাহলে সঙ্গে সঙ্গে তা গুড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। এক্ষেত্রে তাঁর অনুমতি নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি তাঁর। মুখ্যমন্ত্রী জানান, যে জায়গাতে আমি থাকি সেটি রানি রাসমনির পরিবারের জায়গা। ঠিকাদার প্রজা হিসাবে দীর্ঘদিন বসবাস বলেও দাবি তাঁর।

চা টাও টাকা দিয়ে খাই
তবে এই মামলা প্রসঙ্গে আগেই মুখ খুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়ে ছিলেন, আমার সম্পত্তি নিয়ে আলোচনা আন্তজারতিক আদালতে হওয়া উচিৎ। দীর্ঘদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থাকাকালীন কোনও টাকা নিয়নি। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী হিসাবেও কোনও টাকা তিনি নেননা বলেও দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকি বাইরে গেলে চা টাও টাকা দিয়ে খান বলে দাবি তাঁর। তবে বই লিখে যে রয়েলটি পান তা থেকেই তাঁর চলে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে পরিবার প্রসঙ্গে তাঁর দাবি, পরিবার বড় হয়েছে। সবাই নিজের মতো করে বাইরে থাকে। তবে উৎসব, কালীপুজো কিংবা ভাইফোঁটাতে সবাই জড়ো হন বলে জানিয়েছেন। কার্যত বুঝিয়ে দিয়েছেন তাদের দায় তাঁর নয়।

আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী
তবে এদিনের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কার্যত এদিন কিছুটা হলেও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, নোংরা রাজনীতি। আগে জানলে আসতাম না। সমাজসেবার জন্যেই তাঁর রাজনীতিতে আসা বলে জানিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।












Click it and Unblock the Notifications