বাংলা গড়তে স্বামীজির মতাদর্শে মমতা নিয়েছেন পরিকল্পনা, রাজ্যজুড়ে বিবেক-চেতনা
স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে রাজ্যের সরকার গড়তে চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই লক্ষ্যে তিনি বিগত সাত বছরে একাধিক কর্মসূচি নিয়েছেন।
স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে রাজ্যের সরকার গড়তে চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই লক্ষ্যে তিনি বিগত সাত বছরে একাধিক কর্মসূচি নিয়েছেন। তাঁর আনা বহু সরকারি প্রকল্পেই রয়েছে স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতি। স্বামী বিবেকানন্দের মতাদর্শকে পাথেয় করে রাজ্যের সরকারকে উন্নয়নের পথ দেখাতে তিনি বদ্ধপরিকর।

বিবেকানন্দের স্মৃতিতে শুধু একাধিক প্রকল্প গ্রহণই নয়, বাংলার সরকার স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৬তম জন্মজয়ন্তীতে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে তিনদিনের বিবেক চেতনা উৎসব পালন করছে। ১০ থেকে ১২ জানুয়ারি এই উৎসবের আয়োজন হয়েছিল বিভিন্ন ব্লক ও পুরসভায়।
রাজ্যের তরফে ৩৪১টি ব্লক, ১১৭টি পুরসভা, কলকাতা পুরনিগমের ১৪৪টি ওয়ার্ড-সহ ছ'টি পুরনিগম ও জিটিএতেও এই বিবেক চেতনা উৎসব পালিত হয়। মিছিল হয়, প্রদর্শনী হয়, স্বামী বিবেকানন্দের জীবন নিয়ে ক্যুইজ, বিতর্ক, প্রদর্শনী ফুটবল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। এই দিনটিতে ২০১২ সাল থেকেও রাজ্যে ছুটি ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছুটির দিনে সরকারিভাবে পালিত হয় বিবেক চেতনা উৎসব।

রাজ্যের তরফে জানানো হয়, বিবেকানন্দের মতাদর্শ নিয়ে চলার পথে ইতিমধ্যে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। রামকৃষ্ণ এবং সারদা মিশন চালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে স্বশাসন দেওয়া হয়েছে। বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। রাজারহাটে 'বিবেক তীর্থ' হচ্ছে। স্বামী বিবেকানন্দের পৈত্রিক বাড়ি রামকৃষ্ণ মিশনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
তারপর ৩০ কোটি টাকা ব্যায়ে বাগবাজারে সংস্কার করা হয়েছে মায়ের বাড়ি। ভগিনী নিবেদিতার বাড়ি অধিগ্রহণ করে হেরিটেজ তকমা দেওয়া হয়েছে। তা তুলে দেওয়া হয়েছে রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের হাতে। দুই কোটি টাকা ব্যায়ে ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতিবিজড়িত দার্জিলিঙের রায় ভিলার সংস্কার করেও রামকৃষ্ণ মিশনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া দক্ষিণেশ্বরের কালীবাড়ির সঙ্গে রেল স্টেশনের সংযোগকারী স্কাইওয়াক নির্মাণ হয়েছে। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের আগে বসেছে হয়েছে বিবেকানন্দের নাম। স্বামী বিবেকানন্দ নামে করা হয়েছে স্বনির্ভর কর্মসংস্থান প্রকল্প। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তিও দেওয়া হয় স্বামীজির নামে।












Click it and Unblock the Notifications