পিসি-ভাইপোর সমীকরণে নেই রাহুল, মমতার সায়ে মহাজোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন
রাহুল গান্ধীর বিরাট সাফল্যের পরই কেমন বদলে যেতে শুরু করেছে ছবিটা। রাহুলের সাফল্যকে কি তবে ভালো চোখে দেখছে না জোটপন্থীরা।
রাহুল গান্ধীর বিরাট সাফল্যের পরই কেমন বদলে যেতে শুরু করেছে ছবিটা। রাহুলের সাফল্যকে কি তবে ভালো চোখে দেখছে না জোটপন্থীরা। তিন রাজ্যের একা হাতে মোদীকে হারানো, তারপর তামিলনাড়ু থেকে রাহুলের নাম প্রস্তাব যে ভালোভাবে নিচ্ছেন না কেউ, তা প্রকট হল, কংগ্রেসকে অন্ধকারে রেখে উত্তরপ্রদেশে আসন সমাঝোতা চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ায়।

শুধু তাই নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সমর্থন জানিয়ে দিলেন মায়াবতী ও অখিলেশের এই কংগ্রেসকে ছাড়া মহাজোট বার্তায়। মোদী-বিরোধী জোটের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুই শরিক সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজবাদী পার্টি। তারা কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে জোট ঘোষণা করে ঐক্যের পথচলাকে থমকে দিল। আর এক বড় শরিক তৃণমূল তাদের সমর্থন করে বসল।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজবাদী পার্টির জোট হচ্ছে। এটা দারুন ব্যাপার। তিনি বলেন, সব দলেরই স্থানীয় রাজনৈতিক বাধ্য বাধকতা থাকে। উত্তরপ্রদেশেসর ক্ষেত্রেও তা রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাই একেবারেই অবাক নন। তাঁর কথায়, কংগ্রেস যেখানে শক্তিশালী, সেখানে তাঁদেরও বাধ্যবাধকতা থাকে।
Mamata Banerjee, West Bengal CM on Prime Ministerial candidate: This is the not the time. Let the election come . We all are strongly together and working together. Whatever all the political parties will decide, will be the answer. pic.twitter.com/A7Y1tG6jRw
— ANI (@ANI) December 19, 2018
পাঁচ রাজ্যের ভোটের ফলের দিনই তিনি আভাস দিয়েছিলেন দিল্লিতে মহাজোট হলেও, রাজ্যে একাই লড়বে তৃণমূল। এদিন মায়াবতী ও অখিলেশের জোটকে সমর্থনেও সেই ইঙ্গিতই ফের স্পষ্ট করলেন। অর্থাৎ এ রাজ্যে কংগ্রেস-তৃণমূলের জোট হওয়াও দুরুহ। সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সুব্রত মুখোপাধ্যায়ও জানিয়েছে, জোট হলে হবে ভোট পরবর্তী, প্রাক ভোট জোট হবে না কংগ্রেসের সঙ্গে।
এদিন রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে স্টালিয়েনর ঘোষণারও সমালোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি নবান্নে বলেন, এটা প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণার সময় নয়। আমরা একসঙ্গে কাজ করছি। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ভোটের পরে, এটাই সঠিক। মোট কথা রাহুলের নেতৃত্ব মানতে অনেকেরই অনীহা রয়েছে। এই অবস্থায় মহাজোট কতটা দানা বাঁধে, সেটাই লাখ টাকার প্রশ্ন।
বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, মায়াবতী ও অখিলেশের মধ্যে আসন রফা একপ্রকার পাকা হয়ে গিয়েছে। এই জোটে তারা আবার রেখেছে অজিত সিংয়ের আরএলডিকেও। তবে রাহুলকে অন্ধকারে রাখলেও, তাঁর আমেথি কেন্দ্র ও সোনিয়া গান্ধীর রায়বেরিলি কেন্দ্রে কোনও প্রার্থী দেওয়া হবে না। অর্থাৎ দুটি কেন্দ্র কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications