নিয়োগ নিয়ে আশার আলো দেখালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতাও! দুর্নীতি-কেলেঙ্কারির মধ্যেই স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বড় বার্তা
রাজ্যে নিয়োগ নিয়ে আশার আলো দেখালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিয়োগ নিয়ে একের পর এক কেলেঙ্কারি সামনে এসেছে। কার্যত প্রত্যেকদিন স্বাস্থ্য হোক কিংবা শিক্ষা ক্ষেত্রে যোগ্যদের নিয়োগের দাবিতে চলছে বিক্ষোভ-আন্দোলন। যা ন
রাজ্যে নিয়োগ নিয়ে আশার আলো দেখালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিয়োগ নিয়ে একের পর এক কেলেঙ্কারি সামনে এসেছে। কার্যত প্রত্যেকদিন স্বাস্থ্য হোক কিংবা শিক্ষা ক্ষেত্রে যোগ্যদের নিয়োগের দাবিতে চলছে বিক্ষোভ-আন্দোলন। যা নিয়ে রীতিমত অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার। রীতিমত নিয়োগ নিয়ে সরকারকে নিশানা করছে বিরোধীরা।
আর এর মধ্যেই আশার আলো শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ সোমবার স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। আর সেখানেই নার্স পদে নিয়োগ নিয়ে প্রশাসনিক প্রধানের মন্তব্য ফের একবার আশার আলো তৈরি করেছে। বৈঠকে উপস্থিত আধিকারিক দের

পরিষেবাতে একটা বড় ফাঁক থেকে যাচ্ছে।
বিভিন্ন জায়গাতে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল তৈরি হলেও ডাক্তারদের একটা বড় অভাব রয়েছে। শুধু তাই নয়, সরকারি সমস্ত হাসপাতালগুলিতেও নার্সের একটা বড় অভাব রয়েছে। এর ফলে পরিষেবাতে একটা বড় ফাঁক থেকে যাচ্ছে। জানা যাচ্ছে, এখনও প্রায় ১০ হাজার শূন্যপদ রয়েছে। নার্স এবং চিকিতস নিয়ে এই শূন্যপদ তৈরি রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথাতে, সব শূন্যপদ দ্রুত পূরণ হবে। একই সঙ্গে ৬ হাজার নার্স নিয়োগ করা হবে বলেও মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে সরকারি নিয়মের কোনও অন্যথা হবে না বলেও দাবি তাঁর।

প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে শুরু হয়েছে সরকারের জোর তরপরতা।
ইতিমধ্যে রাজ্যে প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে শুরু হয়েছে সরকারের জোর তরপরতা। আগামী ১১ ডিসেম্বর রাজ্যে টেট পরীক্ষা রয়েছে। সেই সংক্রান্ত প্রস্তুতি চলছে। আর সেখানে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি এদিন রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়েও স্বাস্থ্য আদিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে উন্নত হবে। এজন্যে সাবসেন্টার লেভেলে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র তৈরি করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

সাস্থ্যসাথী নিয়ে কড়া বার্তা
২০২৩ সালের মধ্যে ২১৭৩টি এবং ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে ১৬৬১৬টি প্রযুক্তি নির্ভর সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওষুধ,ডায়বেটিস টেস্ট সহ একাধিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা এই সমস্ত কেন্দ্রে গেলেই করা যাবে বলেও জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি এমন সাবসেন্টার তৈরি হয়ে গিয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রশাসনিক প্রধান। অন্যদিকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়েও এদিন কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি। বলেন, কোনও দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। যে সমস্ত বেসরকারি হাসপাতাল এখনও স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিচ্ছে না তাঁদের লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি। এই বিষয়ে প্রত্যেক মাসে জেলাশাসককে বৈঠকে বসার নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications