গেরুয়া পরলেই সাধু হওয়া যায় না, বিজেপিকে আক্রমণ করে ধর্নায় বসলেন মমতা
যুযুধান দুই পক্ষ। ধর্মতলার মঞ্চ থেকে তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অন্যদিকে বিধানসভায় আক্রমণাত্মক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি দেশ বিক্রি করে দিচ্ছে। এদিকে অন্যদের চোর বলছে। এই বক্তব্য উঠে এসেছে তাঁর কথাতে।
শুধু তাই নয়, ডিএ বাড়ানো নিয়েও বক্তব্য রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের ডিএ আন্দোলন চলছে দীর্ঘদিন ধরে। রাজ্য সরকার কেন্দ্রের অনুপাতে ডিএ বাড়াচ্ছে না। ন্যায্য ডিএর দাবি তোলা হচ্ছে। ডিএ বাধ্যতামূলক নয়, ঐচ্ছিক বিষয়। এই কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রের কর্মীদের ছুটি কম। রাজ্য অনেক বেশি ছুটি দেয়। এছাড়াও রাজ্য সরকারি কর্মীরা একাধিক সুবিধা পেয়ে থাকেন।

এদিন ফের বাম জমানাকে কাঠগড়ায় তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩৪ বছরের শাসনকালে সিপিএম অনেক ধার করেছে। সেই ধার শোধ করে যেতে হচ্ছে। আবারও সেই কথা শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। তার সরকারকে চোর বলে আক্রমণ করছেন বিরোধীরা। তাই নিয়েও রীতিমতো ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যাদের অনেক পকেট ভর্তি, তারা চিৎকার করে গোলমাল করছেন। অনেক বিধায়ক আছেন, যাদের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি। তাদের বিধায়কের টাকা নেওয়ার দরকার নেই। অনেকে আছেন খেতে রোজগার করে। পঞ্চায়েত মেম্বার আছে ১০০ দিনের কাজ করে খড় তোলে। তাদের কথা তো বললেন না। তাদের জন্য আপনাদের হৃদয় কাঁদে না।!
তিনি আরও বলেন, "একটা গরিব লোক দুটো বিড়ি খেলে চোর বলে চিৎকার করেন। যার কাছে আজ আছে ভুরি ভুরি তারা সাধু হয়ে গিয়েছে। গেরুয়া পরলেই সাধু হয় না।" মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "এই কটা টাকা বিধায়কের জন্য বাড়িয়ে এক কোটি মাত্র খরচ হচ্ছে। আজ আমরা বলছি এক কোটি এক লক্ষ কৃষকের জন্য আমরা ৮০০ কোটি টাকা রেডি করে রেখেছি।"
মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, মাটির বাড়ি ধসে যাচ্ছে। ১০০ দিনের টাকা দেয়নি এগুলো বললেন না। কেন্দ্র টাকা দেয়নি, কাজের সুযোগও দেয়নি। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে বিধানসভার আম্বেদকর মূর্তির নিচে তৃণমূল ধরনায় বসেছে।
কালো পোশাক পরে আন্দোলনে সামিল হয়েছেন তৃণমূলের মন্ত্রী - বিধায়করা৷ এদিন সেই আন্দোলনে মধ্যমণি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কালো পাড়ের শাড়ি পরেছেন। গায়ে কালো চাদর জড়ানো আছে।












Click it and Unblock the Notifications