বাংলায় রণে ভঙ্গ দিল বিজেপি! পঞ্চায়েত ভোটের আগে জল্পনায় মমতার দিল্লি সফর
পঞ্চায়েত নয়, বিজেপির প্রধান লক্ষ্য ২০১৯। বাংলায় গ্রামের যুদ্ধে শুরুর প্রাক্কালে একপ্রকার তা বুঝিয়েই দিল কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
পঞ্চায়েত নয়, বিজেপির প্রধান লক্ষ্য ২০১৯। বাংলায় গ্রামের যুদ্ধে শুরুর প্রাক্কালে একপ্রকার তা বুঝিয়েই দিল কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা কোনও প্রথম সারির নেতাকে পঞ্চায়েত ভোটে বাংলায় পাঠাবে না প্রচারের জন্য। কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের, তা নিয়েই চলছে জল্পনা।

নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহরা কেন হাল ছাড়লেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরের পরই বিজেপির এমন সিদ্ধান্তের নানারকম ব্যাখ্যা করছে রাজনৈতিক মহল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদী সাক্ষাতের ফলেই এমন সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে মত একাংশের। বিশেষ করে বাম শিবিরের ব্যাখ্যা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তড়িঘড়ি দিল্লি সফরে গিয়েছিলেন হয়তো নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সেটিং করতেই!
কেন্দ্রীয় বিজেপির পক্ষ থেকে রাজ্য বিজেপিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারাই এবার প্রচার করবেন পঞ্চায়েত ভোটের। তারকা প্রচারকরা আসবেন লোকসভা ভোটের আগে। পঞ্চায়েতে যে ভালো ফল সম্ভব নয়, তা বুঝে গিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাই এমন সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের অপর একাংশ।
বামেরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফরের সঙ্গে বিজেপির এই সিদ্ধান্তকে জড়িয়ে নানা প্রচারে তুলে ধরতে চাইছে। এমনিতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বামেরা। মোদী বিরোধী প্রধান মুখ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরলেও, আদতে তিনি যে মোদী-বিরোধী নন, এই দিল্লি সফরে তা বুঝিয়ে দিয়েছেন মমতা- এমন ব্যাখ্যাও উঠে আসে।
তাঁদের যুক্তি, অ-বিজেপি অন্য মুখ্যমন্ত্রীরা যখন বৈঠকে গেলেন না, তখন মোদী-বিরোধী মুখ হয়েও কেন তিনি সবার আগে ছুটে গেলেন। তাহলে কি এই সফরের অন্য উদ্দেশ্য ছিল? সে প্রশ্ন উঠে পড়েছে রাজনৈতিক মহলে। সেসব নিয়ে জল্পনার মধ্যেই বিজেপির এমন সিদ্ধান্ত আরও ভাবিয়ে তুলেছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।












Click it and Unblock the Notifications