Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মোদীর স্বীকৃতি মমতাকে, ‘নেত্রী’র কাছে দশ গোল খেয়ে ‘কুরুক্ষেত্র-যুদ্ধে’ গোহারা মুকুল

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বিশ্ববাংলার স্বত্ত্ব বিতর্ক পৌঁছে গিয়েছিল আদালতের দোরগোড়ায়। এই অবস্থায় মুকুলের বর্তমান দলের কাণ্ডারি নরেন্দ্র মোদীই জল ঢেলে দিলেন মুকলের কুরুক্ষেত্র-যুদ্ধে।

বিজেপিতে যোগ দিয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের বিশ্ববাংলা লোগোকে কাঠগড়ায় তুলেছিলেন মুকুল রায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বিশ্ববাংলার স্বত্ত্ব নিয়ে বিতর্ক পৌঁছে গিয়েছিল আদালতের দোরগোড়ায়। এই অবস্থায় মুকুলের বর্তমান দলের কাণ্ডারি নরেন্দ্র মোদীর সরকারই জল ঢেলে দিলেন মুকলের কুরুক্ষেত্র-যুদ্ধে। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার স্বীকৃতি দিল মমতার আঁকা বিশ্ববাংলা লোগোকে। দেশের মধ্যে প্রথম কোনও রাজ্য নিজস্ব প্রতীক পেল। আর তা পেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা।

মোদীর স্বীকৃতি মমতাকে, ‘নেত্রী’র কাছে দশ গোল খেয়ে ‘কুরুক্ষেত্র-যুদ্ধে’ গোহারা মুকুল

কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের স্বীকৃতিপত্র নবান্নে পৌঁছে গিয়েছে বুধবারই। রাজ্যের প্রতীক হিসেবে এবার থেকে বিশ্ববাংলা লোগো ব্যবহার করতে পারবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। অশোক স্তম্ভের পাশাপাশি সরকারি নথিতে এবার থাকবে বিশ্ববাংলা লোগোও। ফলে মুকুলের বিপ্লবের মুকে ঝামা ঘষে দিল তাঁর দলের সরকারই।

গত মে মাসে বিশ্ববাংলা লোগোর স্বীকৃতি চেয়ে কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানায় রাজ্য সরকার। এতদিন সেই স্বীকৃতি আটকে ছিল। তবে লাল ফিতের বাঁধন খুলে মমতা আঁকা লোগোকে সরকারি স্বীকৃতি দেওয়া বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। উল্লেখ্য, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবান্নে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করে যান। তারপর এই স্বীকৃতি পেল রাজ্য।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা সফর থেকে ফেরার পর শুক্রবার সরকারিভাবে ঘোষণা করবেন রাজ্যের এই প্রতীক প্রাপ্তীর কথা। সেইসঙ্গে বিশ্ববাংলার আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করবেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের প্রতীক হিসেবে বিশ্ববাংলার স্বীকৃতি গর্বিত করল পশ্চিমবঙ্গকে। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রীর আঁকা গ্লোবের মধ্যে ব-আকৃতির বিশ্ববাংলা লোগো রাজ্যের একটি বিশেষ কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছিল।

যোগেন চৌধুরীর নেতৃত্বে সেই কমিটি বিশ্ববাংলা লোগোকে অনুমোদন দেওয়ার পরই তা পাঠানো হয় কেন্দ্রের কাছে। কেন্দ্রের অনুমোদন না মিললে, রাজ্য কখনও সরকারি লোগো হিসেবে ব্যবহার করতে পারে না। এবার রাজনাথ সিংয়ের মন্ত্রকের অনুমোদন মিলে যাওয়ায় আর কোনও প্রতিবন্ধকতা রইল না বিশ্ববাংলাকে সরকারি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করার।

সেইমতো অশোক স্তম্ভের পাশে এবার বিশ্ববাংলাও স্থান করে নেবে রাজ্যের নথিতে। মমতার বিশ্ববাংলার এই স্বীকৃতিতে মুকুল রায় গোহারা হলেন কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে। তিনি বিশ্ববাংলা বিতর্ককে সামনে এনে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের ডাক দিয়েছিলেন ধর্মতলায় তাঁর বিজেপিতে আত্মপ্রকাশের মঞ্চ থেকে। এবার সেই কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে সব প্রতিরোধই তাঁর ভেঙে পড়ল।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+