মুকুলের হাত থেকে বিধায়ককে রক্ষা করতে আসরে মমতা! লোকসভার লড়াই তুঙ্গে
লোকসভার মুখে তৃণমূল ভাঙাতে বিজেপি নেতারা ঘুরে বেড়াচ্ছেন সর্বদাই। মুকুল রায় তো সুযোগ বুঝলেই চলে যাচ্ছেন ‘পারিবারিক বন্ধু-বান্ধব’দের বাড়িতে।
লোকসভার মুখে তৃণমূল ভাঙাতে বিজেপি নেতারা ঘুরে বেড়াচ্ছেন সর্বদাই। মুকুল রায় তো সুযোগ বুঝলেই চলে যাচ্ছেন 'পারিবারিক বন্ধু-বান্ধব'দের বাড়িতে। তাই সব্যসাচী দত্তের পর যে অর্জুন সিং চার্গেট হবেন না, তা বলা যায় না। সেই কারণেই লোকসভার মুখে কোনও ঝুঁকি নিয়ে চাইলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এমতাবস্থায় মুকুল রায়ের খপ্পর থেকে অর্জুন সিংকে রক্ষা করাই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লক্ষ্য। সেই কারণে বারাকপুরে প্রার্থী হতে চেয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করা ভাটপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিংকে ডেকে দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়ে সমস্যার সমাধান করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূলের যে কোনও নেতার কাছেই মমতার নির্দেশ বেদবাক্য। সেইমতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মেনে দুই নেতা সন্ধি করে নিলেন। নবান্নে ডেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কথা বলার পর মান ভেঙেছে অর্জুন সিংয়ের। তিনি জানিয়েছেন, দীনেশদাই প্রার্থী হবেন। আমি দীনেশদার হয়ে প্রচার করব।
বিশেষ সূত্রের খবর, ভাটপাড়ার বিধায়কের গুরুত্ব বাড়তে চলেছে। তাঁকে মন্ত্রী করা হতে পারে। বিধায়ক থেকে হতে চেয়েছিলেন সাংসদ। তিনি তার বদলে বিধায়ক থেকে মন্ত্রী হতে চলেছেন। তাই তিনি সাংসদ পদপ্রার্থী হওয়ার লড়াই থেকে সরে এসে দীনেশ ত্রিবেদীকে জেতাতে ময়দানে নামবেন তিনি। সব্যসাচী দত্তের বাড়িতে মুকুল রায় যাওয়ার পর পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করেছিল। অর্জুন সিংয়ের বেঁকে বসার ঘটনা তাই বেশিদূর বাড়তে না দিয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications