গেরুয়া ‘চাল’-এ কাঁপছেন মমতাও! এক বছরে আরএসএসের দ্বিগুণ বৃদ্ধিতে নয়া অঙ্ক
রাজ্যে ক্রমশ সংঘের শাখা বাড়ছে। বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর হু-হু করে বেড়েছে সংঘের শাখা। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে সংঘের বৃদ্ধি তৃণমূলের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কদিন আগেই উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে ঘটে গিয়েছে মর্মান্তিক ঘটনা। স্কুলে গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হয়েছে দুই ছাত্র। আরও কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয় এই ঘটনায়। তারপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, এই ঘটনার পিছনে রয়েছে আরএসএস ও বিজেপি। আরএসএসের বৃদ্ধি যে এখন তৃণমূল কংগ্রেসের মাথাব্যথার কারণ, তা মুখ্যমন্ত্রীর ওই কথাতেই প্রমাণিত।

রাজ্যে বাড়ছে সংঘের শাখা
রাজ্যে ক্রমশ সংঘের শাখা বাড়ছে। বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর হু-হু করে বেড়েছে সংঘের শাখা। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে সংঘের বৃদ্ধি তৃণমূলের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে সংঘের শাখা। আর সংঘের বাড়বাড়ন্তের অর্থই বিজেপির শক্তিশালী হওয়া। তাই লোকসভার আগে তৃণমূলকে নতুন করে ভাবাচ্ছে।

উত্তর দিনাজপুরে আরএসএস
এই ক-বছরে সবথেকে আরএসএস বেড়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলায়। শুধু এই জেলাতেই ১৫০টি শাখা রয়েছে সংঘের। যার ফলে ইসলামপুরের ঘটনায় রাজ্যের শাসকদলকে প্রবল চাপে রাখতে সমর্থ হয় বিজেপি। আর মুখ্যমন্ত্রীও পাল্টা তোপ দাগে আরএসএসের বিরুদ্ধে। উত্তর দিনাজপুরের মতো দক্ষিণ দিনাজপুরেও বাড়ছে সংঘ। ইতিমধ্যেই তাঁরা এই পরীক্ষা দিয়েছে। মহালয়ায় বিশাল কর্মসূচি পালন করে সংঘ।

উত্তরের পাশাপাশি দক্ষিণেও বাড়ছে আরএসএস
উত্তরবঙ্গে মোট ১৫টি সাংগঠনিক জেলা রয়েছে আরএসএসের। আর দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়ে মোট ৩৩টি জেলায় এখন আরএসএসের শাখা ২০০০টি শাখা রয়েছে। শুধু উত্তরবঙ্গে রয়েছে ১২০০ শাখা। অথচ এক বছর আগেই উত্তরবঙ্গে মাত্র ৬০০ শাখা ছিল। এক বছরের মধ্যেই আরএসএসের বিপুল সংগঠন বৃদ্ধিতে শাসক দল প্রবল চাপে।

শাসক চাপে, সুবিধা বিজেপির
সংঘের বাড়বৃদ্ধিতে শাসক দল যেমন চাপে পড়েছে, তেমনই বিজেপি যে বাড়তি সুবিধা পাবে তা বলাই বাহুল্য। লোকসভার ভোটের আগে বিজেপির পক্ষে ইতিবাচক হতে চলেছে এই বিষয়টি। সংঘের শক্তিতে বিজেপিরও শক্তি বাড়ছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল স্তরের শক্তিবৃদ্ধি ঘটছে বিজেপির।

আরএসএস প্রসঙ্গে মমতা-উবাচ
সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সম্প্রতি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বড় বেশি নাক গলাচ্ছে আরএসএস। আগে বাবতাম এটা একটা সামাজিক সংগঠন, এখন দেখছি ক্রমেই রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে ঢুকে পড়ছে আরএসএস। তা আড়ালে থেকে কেন, সংঘ আগামীদিনে রাজনৈতিক দল হিসেবেই আত্মপ্রকাশ করুক। সামনে থেকে লড়াই করুক, তৃণমূল রাজনৈতিকভাবে তা মোকাবিলা করবে।












Click it and Unblock the Notifications