সেতুবন্ধনের কাজ করেন বৈশাখী! বিজেপি নেতা শোভনকে কালীপুজোয় আমন্ত্রণ জানান মমতা 'দিদি'
শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক আবার নতুন করে গড়ে তুলতে সেতু বন্ধনের কাজ করলেন বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।
শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক আবার নতুন করে গড়ে তুলতে সেতু বন্ধনের কাজ করলেন তাঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। দীপাবলির আগের দিন বৈশাখী গিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে। বিষয়ে বিজয়ার প্রণামের মোড়কে থাকলেও, সেখানেই চূড়ান্ত হয়ে যায় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এরপরেই শোভন চট্টোপাধ্যায় ফোন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর স্নেহের কাননকে বাড়ির কালীপুজোয় আমন্ত্রণ জানান।

সেতুবন্ধনে বৈশাখী
শোভন চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী তাঁর সংসার ভাঙার জন্য বান্ধবী বৈশাখীকে দায়ী করলেও, তৃণমূলের সঙ্গে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সেতুবন্ধনের কাজটি করলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ই।
দিন তিনেক আগে, দীপাবলির আগের দিন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় দিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে। সেখানে দুজনের কথা হয় প্রায় দুঘন্টা। সেই সময় বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেশ কিছু কথাতেও জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দিকে তিনি ঝুঁকেই রয়েছেন। আর তাঁরা দুজনেই রাজনীতি হওয়ায় রাজনীতির কথা হওয়াও স্বাভাবিক। বলেছিলেন নিজের উপলব্ধির কথা জানিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। অন্যদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছিলেন, কথা হয়েছে শোভন প্রসঙ্গেও। তবে সেসব কথা প্রেসকে বলার মতো নয়।

শোভনের ফোন মমতাকে
সূত্রের খবর অনুযায়ী, বৈশাখীর প্রচেষ্টার পরেই শোভন চট্টোপাধ্যায় ফোন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মমতা তখন শোভনকে কালীপুজোয় বাড়িতে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান। তখন শোভন চট্টোপাধ্যায় তাঁর কাছে ভাইফোঁটা নিতে যাওয়ার অনুমতি চান। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্গে সঙ্গেই সেই অনুমতি দেন।

১৪ অগাস্ট বিজেপিতে যোগ
১৪ অগাস্ট বান্ধবী বৈশাখীকে সঙ্গে নিয়ে দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। তবে যোগ দেওয়ার পরে তাঁকে সক্রিয়ভাবে বিজেপিতে দেখা যায়নি।

নিষ্কৃতি চেয়েছিলেন বিজেপির কাছে
বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে তিক্ততা বেড়েছে শোভন বৈশাখীর। সে দলের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না জানানোই হোক কিংবা অন্যকিছু। ১ অক্টোবর নেতাজি ইন্ডোরে অমিত শাহের সভায় শোভন চট্টোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি সকলের নজর কেড়েছিল। বিতর্ক এতটাই চরমে উঠেছিল যে কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের সামনেই শোভন ও বৈশাখী বিজেপি থেকে নিষ্কৃতি চেয়েছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications