পঞ্চায়েত প্রশ্নে নমনীয় তৃণমূল! নাম নির্বাচন নিয়ে সমাধান সূত্র বাতলে দিলেন মমতা
বাংলা আবার ভারতসভায় শ্রেষ্ঠ আসন নিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা একশো দিনের কাজে সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নিল পরপর তিনবার।
পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে যে হিংসার প্রহর গোনা শুরু হয়েছিল, পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনেও সেই হিংসার রাজনীতি থেকে মুক্তি নেই বাংলার। জেলায় জেলায় রক্ত ঝরছে। খুনোখুনি, লাঠালাঠি, মারধর লেগেই রয়েছে। অবশেষে সেই হিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার উপায় বের করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পঞ্চায়েত নিয়ে দলকে দিলেন নমনীয় হওয়ার বার্তা।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে বিধায়ক-মন্ত্রীদের নির্দেশ দিয়েছেন, বিরোধীদের প্ররোচনায় পা দেওয়া যাবে না। কোনওরকম বিশৃঙ্খলা তিনি বরদাস্ত করবেন না। দলের নেতা-মন্ত্রীদেরই এই ঘটনার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ফের আমডাঙা, দেগঙ্গার মতো ঘটনা ঘটলে তিনি দলীয় নেতৃত্বকেও ছেড়ে কথা বলবেন না।
পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন নিয়ে অশান্তির জেরে মন্ত্রিসভার বৈঠক থেকে আগেই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। মন্ত্রীদের সামনে দাঁড়িয়ে বিশৃঙ্খলা রোখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। জেলার মন্ত্রীদের বিশেষ সতর্ক থাকার বার্তায় তিনি বুঝিয়েছিলেন গণ্ডগোল তিনি বরদাস্ত করবেন না। এবারও ফের তিনি সেই বার্তা দিয়ে নিজের দলেরর অন্দরে তৈরি হওয়া বিভাজন নিয়েও কড়া হলেন।
তিনি বলেন, নাম নিয়ে অযথা দলের মধ্যে বিভাজন তৈরি করবেন না। মনে রাখবেন, কাজ করলেই সুযোগ মিলবে। এবার না হলে পরেরবার মিলবে। কিন্তু পদের লোভে অশান্তি, হিংসা কোনওভাবেই বরদাস্ত নয় তৃণমূলে। তবে রাজনৈতিক মহল মনে করছে, মুখ্যমন্ত্রী যদি আরও আগে এ ধরনের কড়া ব্যবস্থা নিতেন দলের অন্দরে, তাহলে এত হিংসার ঘটনা ঘটত না।
উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তর ২৪ পরগনায় একের পর এক অশান্তিতে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে কড়া নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, দেগঙ্গায় কী হচ্ছে এসব। এলাকার উপর নজর রাখে। তোমাকেই সামলাতে হবে ওসব। এদিন মুখ্যমন্ত্রী পাহাড় সফরে যাওয়ার আগে বলেন, এলাকার বিশৃঙ্খলা রুখতে হবে মন্ত্রীদের। তিনি চান, নতুন করে যেন কোনও অশান্তি না হয়। তাহলে জবাবদিহি করতে হবে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের।












Click it and Unblock the Notifications