বিজেপির দিন শেষের বার্তা! মিলান থেকে মোদীকে নিশানায় ত্রিমুখী ধাক্কা মমতার
ইতালির মিলান থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফ কথা, বাংলার মানুষ বনধ ব্যর্থ করে দিয়েছেন। ওদিকে আধার নিয়েও জোর ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি।
বিজেপির দিন শেষ। আধার আর বনধ নিয়ে জোড়া ফলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বিদ্ধ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতালির মিলান থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফ কথা, বাংলার মানুষ বনধ ব্যর্থ করে দিয়েছেন। ওদিকে আধার নিয়েও জোর ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি। আমরা এতদিন যে দাবি জানিয়ে আসছিলাম, সুপ্রিম কোর্ট সেই দাবিকেই মান্যতা দিয়েছে।

বিজেপিকে নিশানা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সস্তার রাজনীতি করছে বিজেপি। নিজেরাই খুন করছে, নিজেরাই বন্দুক-গুলি আমদানি করছে, আবার নিজেরাই বনধ ডেকে অশান্ত করছে বাংলাকে। এসবের বিরুদ্ধেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলার মানুষ বনধ চায় না। তা বনধ ব্যর্থ করে বুঝিয়ে দিয়েছে বাংলার মানুষ।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিজেপির রাজ্যে কেন এত খুন হচ্ছে? কেন কৃষক খুন হচ্ছে? বিজেপি আসলে খুনের রাজনীতি করতেই সিদ্ধহস্ত। সেই হিংসাত্মক রাজনীতি বাংলার বুকেও ঘটাতে চাইছে। বাংলাকে বিজেপির এই কু-প্রভাব থেকে রক্ষা করতে হবে। যেমন করে বন্ধ্যাত্বক বনধকে ব্যর্থ করে দিয়েছেন মানুষ, বিজেপির যাবতীয় পরিকল্পনা সেই ভাবেই ব্যর্থ করে দিতে হবে।
উল্লেখ্য, এদিন সুপ্রিম কোর্ট আধার নিয়ে রায়দান করে। সেই রায়ে মান্যতা পায় তৃণমূলের দাবি। তৃণমূল এতদিন দাবি করে এসেছে, আধার কার্ড ব্যাঙ্ক, স্কুল, মোবাইল ফোনের কোম্পানিগুলিকে দেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত নয়। তৃণমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর জন্য অনেক আন্দোলন করেছে। সেই আন্দোলন আজ সফলতা পেল। প্রমাণ হয়ে গেল আধার একটি ভ্রান্ত প্রক্রিয়া।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আধার নিয়ে যে দাবি করেছিলাম তা যে ভ্রান্ত নয়, তা আজ স্পষ্ট হয়ে গেল। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে রায় জানিয়ে দিল আমাদের দাবিই ঠিক। আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল বাংলা আজ যা ভাবে, গোটা দেশ কাল সেটা ভাবে। তেমনই একইভাবে বাংলার মানুষ বিজেপির সমস্ত চক্রান্ত রুখে দেবে। আজ যেভাবে বাংলার মানুষ বিজেপির বনধকে ব্যর্থ করেছ, সেইভাবেই বিজেপির যাবতীয় পরিকল্পনায় জল ঢেলে দেবে বাংলা।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন একইসঙ্গে সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিদেশ সফরকে। তিনি বলেন, আমি তো বছরে একবার আসি বিদেশে। তাও রাজ্যের প্রয়োজনে। উন্নয়নের তাগিদে. কৃষি বাঁচিয়ে শিল্প আনাই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে আমরা বিশ্ববাংলা শিল্প সম্মেলন শুরু করেছি। আমার স্থির বিশ্বাস, ইতালি জার্মানির শিল্পোদ্যোগীরা বাংলায় বিনিয়োগ করবেন। তিনি এদিন প্রশ্ন তোলেন মোদীর এত বিদেশ সফর থেকে দেশ কী পেয়েছে?












Click it and Unblock the Notifications