Mamata Banerjee: এবার ভোটার লিস্টে 'স্বচ্ছতা অভিযান' মমতার! "বিজেপির কারচুপি" রুখতে জেলায় জেলায় কোর কমিটি
Mamata Banerjee: নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূলের সর্বস্তরের কর্মিসভা থেকে বিস্ফোরক দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বাংলায় এজেন্সি পাঠিয়ে বিজেপির তরফে ভোটার তালিকায় কারচুপি করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে দাবি তৃণমূল নেত্রীর। নির্বাচন কমিশনে সব বিজেপির লোক রয়েছে বলে দাবি মমতার। আর তাই 'ভুতুড়ে' ভোটার ধরতে জেলায় জেলায় কোর কমিটি গড়ার কথা ঘোষণা মমতার।
সাত দিনের মধ্যে কোর কমিটি গঠন করার নির্দেশ মমতার। দলের যুব নেতাকর্মীদের মমতার স্পষ্টতই নির্দেশ, ভোটার লিস্টের কারচুপি ধরার কাজ করতে হবে। ছাব্বিশের নির্বাচনেও 'খেলা হবে'-র ডাক মমতার। যার প্রথম খেলাই হবে ভোটার লিস্টে কারচুপি ধরা। মমতা জানান, "তিন দিন পর পর ভোটার তালিকায় কারচুপি সংক্রান্ত ইনফরমেশন দিতে হবে পার্টি অফিসে। তৃণমূল ভবনে সুব্রত বক্সির কাছে পাঠাতে হবে তথ্য।"

মমতা বলেন, "ভোটার লিস্ট ক্লিন করতে হবে। দিল্লিতে বসে এজেন্সিকে দিয়ে বিএলআরও-দের সঙ্গে নিয়ে অনলাইনে কারসাজি করা হয়েছে। বাংলায় লোক যাতে ভোট দিতে না পারে, একই এপিক কার্ডে বাইরের লোকের নাম তুলেছে।" কারচুপি ধরতে জেলায় জেলায় কোর কমিটি গড়ে মমতা বলেন, "ওই কমিটি ভোটার তালিকা নিয়ে কাজ করবে। তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে।"
ভুতুড়ে ভোটার ধরার মধ্য দিয়েই কার্যত বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজিয়ে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের আগে কর্মীদের ভোটার তালিকা সাফাই অভিযানে তাই ঝাঁপিয়ে পড়তে বললেন মুখ্যমন্ত্রী। ১০ দিনের ডেডলাইনও বেঁধে দেন মমতা। কমিটি যদি কাজ না করে, তাহলে ভুতুড়ে ভোটার বাছাইয়ের কাজ প্রয়োজনে নিজেই করবেন বলে জানান মমতা।
ভুতুড়ে ভোটার চিহ্নিতকরণে সুব্রত বক্সির নেতৃত্বে কমিটি গড়ে দেন মমতা। রোটেশন অনুযায়ী চারজন অফিসে বসবেন। অভিযোগ শুনবেন তারা। না শুনলে প্রয়োজনে জরুরি অবস্থায় নিজেই অভিযোগ শুনবেন বলে জানান মমতা। কমিটিতে একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বকে রাখলেন মমতা। দলের কার্যালয়ে বসে তারা অভাব অভিযোগ শুনবেন। প্রতিদিন ৪ জন করে বসবেন।
কমিটিতে থাকছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুজিত বোস, মলয় ঘটক, পার্থ ভৌমিক, ডেরেক ও ব্রায়েন, উদয়ন গুহ, বিপ্লব মিত্র, অর্পিতা ঘোষ, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, মমতাবালা ঠাকুর, অরুপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, দেবাংশু ভট্টাচার্য, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, মালা রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, নির্মল চন্দ্র রায়, সুমন কাঞ্জিলাল, সামিরুল, বাপি হালদার, পুলক রায়, জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, মোশারাফ হোসেন, ঋতব্রত, মানস ভুঁইয়া, বীরবাহা হাঁসদা, রাজীব ব্যানার্জি, ব্রাত্য বসু, প্রকাশ চিক বরাইক, সায়নী ঘোষ, স্নেহাশিস চক্রবর্তী, তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য, বেচারাম মান্না, সব্যসাচী।
এরপর মমতা বলেন, "আমি বীরভূমকে রাখিনি কারণ, বীরভূমে নিজস্ব কোর কমিটি রয়েছে। নিজেদের মতো করা তারা সবাইকে নিয়ে করবে।" বীরভূমে কেষ্ট-কাজল দ্বন্দ্ব জেনেই অনুব্রত মণ্ডলকে ভরা সভায় মমতার নির্দেশ, "কেষ্ট, কাউকে কিন্তু বাদ দেওয়া যাবে না। কাজলকেও কনফিডেন্সে নিতে হবে। আশিসদা, শতাব্দীকেও মাঝে মাঝে ডেকে নেবে।"












Click it and Unblock the Notifications