গর্ভবতীদের রেফার নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী! চাদর মুড়ি দিয়ে নেগলিজেন্স ধরার নির্দেশ
গর্ভবতীদের রেফার নিয়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে ডেঙ্গু ইতিমধ্যে ব্যাপক আকার নিয়েছে। এই অবস্থায় রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়ে জরুরি বৈঠক সারলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। আর সেই বৈঠকেই গর্ভবতী মহি
গর্ভবতীদের রেফার নিয়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে ডেঙ্গু ইতিমধ্যে ব্যাপক আকার নিয়েছে। এই অবস্থায় রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়ে জরুরি বৈঠক সারলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। আর সেই বৈঠকেই গর্ভবতী মহিলাদের রেফার করা নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তিনি।
শুধু তাই নয়, হাসপাতালগুলিতে সারপ্রাইজ ভিজিট করার জন্যেও নির্দেশ সরকারি আধিকারিকদের। যা খুবই তাৎপর্য পূর্ণ।

স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে কোনও গাফিলত সহ্য হবে না
কলকাতা তো বটেই, জেলার স্বাস্থ্য এবং প্রশাসনিক আধিকারিকরাও বিভিন্ন ভাবে এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়েও কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, স্বাস্থ্যসাথী যারা অপব্যবহার করছেন তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি প্রয়োজনে লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। এক্ষেত্রে কোনও লবি কাজ করবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা তাঁর। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে জেলাশাসকদের প্রতি মাসে বৈঠক করারও নির্দেশ দেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে কোনও গাফিলত সহ্য হবে না ।

রেফার নিয়ে ফের একবার কড়া বার্তা
অন্যদিকে রেফার নিয়ে ফের একবার কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন প্রসূতিদের ঘন্টার পর ঘন্টা বসিয়ে রাখা হচ্ছে তা নিয়ে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কড়া বার্তা প্রশাসনিক প্রধানের। বলেন, রেফার কেন করা হচ্ছে? যারা রেফার করবেন এবার থেকে দায়িত্ব তাঁদের। পাশাপাশি জেলার হাসপাতাল গুলিকেও কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ফেরার করা কি আপনার বন্ধ করবেন না? এতটা গাড়ি জার্নি করে এসে মৃত্যু হচ্ছে। এমন হলে এবার থেকে দায়িত্ব আপনাদের বলেও তোপ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বলেন, খুব প্রয়োজন হলে ভিডিও কলের মাধ্যমে সাহায্য নেওয়ার পরামর্শও দেন তিনি। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

নরমে -গরমে কড়া বার্তাও দেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।
অন্যদিকে স্বাস্থ্য অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবকে কিছুটা নরমে -গরমে কড়া বার্তাও দেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। বলেন, নারায়ন তুমি খুবই ভালো মানুষ। তবে কিছু সময়ে কড়া হতে হবে। এই প্রসঙ্গে মমতার বক্তব্য কেন সাপ্রাইজ ভিজিট করা হয় না? হাসপাতালে যান। আমাদের যেন গাফিলতি না হয়। গাফিলতি একটা অপরাধ। এটা সংশোধন করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রী। কার্যত চরবৃত্তি করে নেগলিজেন্সি ধরার পরামর্শও এদিন বৈঠকে দেন তিনি। এতে লোকেরাও অনুপ্রাণিত হয়। নেগলিজেন্সি একটা ক্রাইম বলে দাবি সুপ্রিমোর।

ক্ষুন্ন হন মমতা
অন্যদিকে কলকাতা পুরসভার কাজেও বেশ কিছুটা ক্ষুন্ন হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন প্রিন্সেপ ঘাটের সংস্কার করা হচ্ছে না তা নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ হন তিনি। এমনকি একাধিক রাস্তার আলো জ্বলছে না তা নিয়েও ক্ষুব্ধ। ইতিমধ্যে আধিকারিকদের বিষয়টি দেখার কথা বলেন প্রশাসনিক প্রধান।












Click it and Unblock the Notifications