মুকুলকে আপ্যায়ন করে শাস্তির মুখে ‘মেয়র’! মমতা তড়িঘড়ি নিলেন 'চরম' পদক্ষেপ
বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচীর বাড়িতে গিয়ে দেড় ঘণ্টা বৈঠক করে এসেছেন মুকুল রায়। তা ভালো চোখে দেখছেন না মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচীর বাড়িতে গিয়ে দেড় ঘণ্টা বৈঠক করে এসেছেন মুকুল রায়। তা ভালো চোখে দেখছেন না মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নির্দেশেই তড়িঘড়ি বিধাননগর পুর কাউন্সিলরদের বৈঠক ডাকা হল। পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের পৌরহিত্যে সেই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মেয়র সব্যসাচী দত্তকেও।

এখন প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি বাড়িতে মুকুল রায়ের পদার্পণে সব্যসাচীর ঘাড়ে খাঁড়া নেমে আসছে? তিনি কি শাস্তির মুখে পড়তে চলেছেন। তড়িঘড়ি পুর কাউন্সিলরদের বৈঠক ডাকা কিন্তু সেরকমই বার্তা দিচ্ছে। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুকেও।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, ওই বৈঠকে কাউন্সিলরদের মতামত নেওয়া হতে পারে। মেয়রের প্রতি তাঁদের আস্থা রয়েছে কি না, তা জানা হবে বৈঠকে। কাউন্সিলরদের মতামত নিয়েই মেয়রের প্রতি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে খাঁড়া নামতে পারে সব্যসাচীর উপর।
উল্লেখ্যে, শুক্রবার সন্ধ্যায় আলুর দম খেতে হঠাৎ তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তের বাড়িতে আসেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক সেরে বেরনোর পর মুকুল রায় বলেন, আলুর দম আর লুছি খেতে এসেছিলেন। সব্যসাচীর সঙ্গে তাঁর দাদা-ভাইয়ের সম্পর্ক। তাই এসেছিলাম, কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না।
তারপর শনিবারের বৈঠকে সব্যসাচী দত্তের গরহাজিরা আরও জল্পনা বাড়িয়েছে। তারপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রবিবার ফের বিধাননগর কাউন্সিলরদের বৈঠক ডাকা হল। তাতেই অন্য সুর খুঁজছে রাজনৈতিক মহল। বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্তকে নিয়ে জল্পনার পারদ চড়ছেই।












Click it and Unblock the Notifications