বেহালা কাণ্ডে এবার তৎপর মমতা, সরাসরি ফোন করলেন বেহালা পূর্বের বিধায়ক রত্নাকে
বেহালা কাণ্ডে এবার তৎপর মমতা, সরাসরি ফোন করলেন বেহালা পূর্বের বিধায়ক রত্নাকে
বেহালা কাণ্ড নিয়ে এবার সরাসরি হস্তক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বেহালা পূর্বের বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়কে ফোন করলেন তিনি। বেহালার চড়কতলায় মঙ্গলবার রাতে ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল তা নিয়ে বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় দল ১২১ নম্বর ওয়ার্ডের টিএমসি যুব সভাপতিকে বহিষ্কার করেছে। কিন্তু এখনও তাঁেক গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তাই নিয়েই এদিন সকালে বেহালা পূর্বের বিধায়কের কাছে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা।

রত্নাকে ফোন মমতার
বেহালার ঘটনা নিয়ে চাপ বাড়ছে িটএমসির অন্দরে। কলকাতা শহরে এই ধরনের গোষ্ঠিদ্বন্দ্ব নজিরবিহীন ঘটনাই বলাচলে। যার জেরে বেহালার চড়কতলায় গুলি-বোমা পর্যন্ত চলেছে। এবার সটান হস্তক্ষেপ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সুপ্রিমো বেহালা পূর্বের বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়কে ফোন করে জানতে চান মঙ্গলবার রাতে বেহালার চড়কতলায় ঠিক কি ঘটনা ঘটেছিল। কারা বোমাবাজি করেছিল। বিস্তারিত জানার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রত্নাকে ঘিরে বিক্ষোভ
বেহালা কাণ্ডে এখনও অধরা টিএমসি নেতা বাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক। পুিলশ এখনও তার কোনও খোঁজ পায়নি। মঙ্গলবারের পর থেকে তিনদিন কেেট গেলেও কেন বাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হল না তা নিয়ে বেহালা পূর্বের বিধায়ককে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান এলাকার বাসিন্দারা। টিএমসির শক্ত ঘাঁটি বলেই পরিচিত বেহালা। শোভনের হাত থেকে ক্ষমতা রত্নার হাতে গেলেও ভোট কমেনি বেহালায় সেখানে কীভাবে দলাদলি শুরু হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রশ্নের মুখে দাঁড়াতে হচ্ছে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও।

সাসপেন্ড টিএমসি নেতা
বেহালা পূর্বের ঘটনায় ইতিমধ্যেই কড়া পদক্ষেপ করেছে দল। ১২১ নম্বর ওয়ার্ডের টিএমসি যুব সভাপতি বাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ এটা নতুন কোনও ঘটনা নয় বাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এলাকার আরেক টিএমসি নেতা লালটুর প্রায়ই বিবাদ েলগে থাকত। মঙ্গলবার রাতে সেটা চরমে পৌঁছয়। পুলিশের সামনেই গুলি বোমা মারা হয়েছিল বলে অভিযোগ। তারপর থেকেই পলাতক বাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তার কোনও হদিশ পাচ্ছে না পুলিশ।

গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কাঁটা
পুরসভা ভোটের আগে থেকেই টিএমসিতে গোষ্ঠিদ্বন্দ্ব প্রকট হতে শুরু করেছিল। পুরভোটের প্রার্থী তািলকা নিয়ে বিদ্রোহ করে অনেকেই নির্দল হিসেবে প্রার্থী হয়েছিলেন। তার পরেই একের পর এক গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ঘটনা প্রকট হতে থাকে। বীরভূমের বগটুইয়ে ভাদু শেখ হত্যা কাণ্ড তার মধ্যে অন্যতম। টিএমসির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেই খুন হয়েছেন ভাদু শেখে। এই ঘটনার মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই গ্রেফতার করা হয়েছে টিএমসির ব্লক সভাপতি আনারুল হোসেনকে। তার রেশ কাটতে না কাটতেই আবার বেহালায় অশান্তি নতুন করে চাপ বাড়িয়েছে শাসক দলের তাতে কোনও সন্দেহ নেই।












Click it and Unblock the Notifications