সুলতানের মৃত্যুতে মোদী সরকারকে দুষলেন মমতা, কী পদক্ষেপ নিচ্ছে তৃণমূল
আমচকাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল তৃণমূল সাংসদ সুলতান আহমেদের। তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণের জন্য অতিরিক্ত মানসিক চাপকেই দায়ী করল তৃণমূল কংগ্রেস।
আমচকাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল তৃণমূল সাংসদ সুলতান আহমেদের। তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণের জন্য অতিরিক্ত মানসিক চাপকেই দায়ী করল তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সঙ্গী সুলতানের মৃত্যুতে ঘুরিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারেকেই দুষলেন তিনি।

মমতা বলেন, 'কী না কী একটা এক লক্ষ-দেড় লক্ষ টাকার একটা নারদকাণ্ড হয়েছে। তার জেরেই তাঁকে বারবার তলব করা হয়েছিল। তাঁর উপর অমানুষিক চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এমনকী সুলতান যখন অসুস্থ, তখনও তাঁকে চিঠি পাঠিয়েছিল সিবিআই। তারই জেরে মৃত্যু হল সাংসদের। এবার দলীয় সাংসদের মৃত্যুকে হাতিয়ার করে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই আরও তীব্রতর কররা জডাক দিল তৃণমূল কংগ্রেস।
সোমবার তৃণমূল সাংসদের আকস্মিক প্রয়াণের পর দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিও বলেন, নারদকাণ্ডে ফাঁসিয়ে তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রী-সাংসদকে জেরবার করার খেলা শুরু করেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। এই নারদকাণ্ডে সুলতান সাহেবকে একাধিকবার তলব করা হয়। তিনি জেরার মুখোমুখিও হন।
সুব্রতবাবু বলেন, 'জেরা চলাকালীন অহেতুক চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল তাঁর উপর। তারই জেরে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। সেই মানসিক চাপের ফলেই তাঁর প্রয়াণ ঘটল। এই ঘটনা তৃণমূল পরিবারের কাছে একটা বড় আঘাত। এই চাপ কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু শেষপর্যন্ত তা না পেরেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে জীবনাবসান ঘটল তাঁর।'

উল্লেখ্য, নারদকাণ্ডে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের ১২ জন নেতা-মন্ত্রী-সাংসদের বিরুদ্ধে। সেই তালিকায় ছিলেন সুলতান আহমেদও। নারদ স্টিং অপারেশনের ভিডিও ফুটেজে তাঁকে টাকা নিতে দেখা গিয়েছিল। সেই ঘটনাতেই সুলতান আহমেদকে ডেকে পাঠানো হয় সিবিআই-এর তরফে। সিবিআইয়ের আধিকারিকদের জেরার মুখোমুখিও হন তিনি। ইডি আধিকারিকদের জেরাও সামলান।
কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা জেরায় তাঁকে জেরবার করে দেন। তিনি তদন্তকারীদের কাছে স্বীকারও করেন নারদকাণ্ডে টাকা নেওয়ার বিষয়টি। তবে নির্বাচনের কাজে খরচ করার জন্যই সেই টাকা নেওয়া হয়েছিল বলে জানানো হয়। সুলতানের মৃত্যু জন্য পরোক্ষে দায়ী করা হয় কেন্দ্রীয় সরকারকে।












Click it and Unblock the Notifications