বিধানসভায় শুভেন্দুর সাসপেনশনের প্রস্তাব! বিরোধী দলনেতার হয়ে ক্ষমা চাইলেন মমতা
বিধানসভার অধ্যক্ষের সঙ্গে সংঘাতে শুভেন্দু অধিকারী। আর এরপরেই আগামী ২০ তারিখ পর্যন্ত বিরোধী দলনেতাকে সাসপেনশনের প্রস্তাব। আর তা আনেন তৃণমূলের বিধায়ক তাপস রায়।
West Bengal News: বিধানসভার অধ্যক্ষের সঙ্গে সংঘাতে শুভেন্দু অধিকারী। আর এরপরেই আগামী ২০ তারিখ পর্যন্ত বিরোধী দলনেতাকে সাসপেনশনের প্রস্তাব। আর তা আনেন তৃণমূলের বিধায়ক তাপস রায়। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়ে যায়। যদিও এরপরেই এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এমনকি বিরোধী দলনেতা এবং বিজেপি বিধায়কদের হয়ে ক্ষমাও চেয়ে নিন তিনি। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য বিধানসভার মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে বলে জানা যায়।

বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিরোধী দলনেতা
রাজ্যপালের ভাষণ নিয়ে আজ সোমবার আলোচনা ছিল। সেই মতো বক্তব্য রাখতে শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানে একাধিক ইস্যুতে বক্তব্য রাখতে শুরু করেন তিনি। আর তা বলতে গিয়েই বেশ কয়েকটি বিষয় তুলে আনেন বিরোধী দলনেতা। এমনকি সরকারি প্রকল্পের টাকাতে মুখ্যমন্ত্রীর সফরের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। এমনকি মুখ্যসচিব সহ বেশ কয়েকজন আইএস-আইপিএম বেশ কিছু আর্থিক সুবিধা বেআইনি ভাবে পাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন। আর এরপরেই তাঁকে বাঁধা দেওয়া হয় বলে দাবি। আর তা মুখ্যমন্ত্রীর অঙ্গুলিহেলনেই বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয় মুখ্যমন্ত্রী, আইএস এবং আইপিএস নিয়ে কথা বলা যাবে না। আর তা নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন বিরোধী দলনেতা।

সাসপেনশনের প্রস্তাব
আর এরপরেই সাসপেনশনের প্রস্তাব শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে আনা হয়। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই সাসপেনশনের প্রস্তাব করা হয় বলে খবর। তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায় এহেন প্রস্তাব আনা হয়। অধ্যক্ষর চেয়ারের অসম্মান করা হয়েছে, এই অভিযোগে সাসপেনশনের প্রস্তাব আনা হয় বলে বিধানসভা সূত্রে খবর। আর এরপরেই বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় হন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

হস্তক্ষেপ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
যদিও বিষয়টি নিয়ে হস্তক্ষেপ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি উঠে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলনেতা এবং বিজেপি বিধায়কদের আচরণের জন্যে ক্ষমা চান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অধ্যক্ষর চেয়ারের অসম্মান হয়ে থাকলে ক্ষমা চাইছি। এরপরেই কিছুটা নরম হন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর একটা সম্মান আছে। আর সেই সম্মানকে মাথায় রেখেই শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে আনা সাসপেনশঅনের প্রস্তাব তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়। উল্লেখ্য, এমন ঘটনা নতুন নয়। এর আগে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে একাধিক বার স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিশ আনা হয়েছে। যা নিয়ে তুলকালাম হয়। যদিও এদিনের সাসপেনশন প্রসগতাবকে হালকা ভাবেই নিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।












Click it and Unblock the Notifications