গোঁসা ভাঙতে নিজের মর্জিতেই ‘ঘরে’ ফিরল শচীন, খুশির হাওয়া সাফারি পার্কে
সৌরভকে একা করে শচীন বেপাত্তা হয়ে গিয়েছিল। পর্যটকরাও নিরাশ হয়েছিল শচীনের গোঁসায়। অবশেষে গোঁসা ভাঙতে নিজেই ফিরে এল শচীন।
সৌরভকে একা করে শচীন বেপাত্তা হয়ে গিয়েছিল। পর্যটকরাও নিরাশ হয়েছিল শচীনের গোঁসায়। অবশেষে গোঁসা ভাঙতে নিজেই ফিরে এল শচীন। নতুন বছরের শুরু থেকেই দেখা মিলছিল না। চারদিন পর নিজে পায়ে হেঁটে ঢুকলেন খাঁচায়। হাসি ফিরল সঙ্গী সৌরভেরও। হাসি ফুটল পর্যটকদের মনেও।
শিলিগুড়ির সাফাই পার্কে অনেক ঘটা করে ২০১৮-র জানুয়ারিতে আনা হয়েছিল দুই চিতাবাঘ। তাদের নাম দেওয়া হয়েছিল শচীন ও সৌরভ। কিন্তু হঠাৎ করেই খাঁচা ছেড়ে বনে ঘুরতে বেরিয়েছিল শচীন। হারিয়েছিল পথও। আর ফিরতে পারেনি ঘরে। সাফারি কর্তৃপক্ষও পড়েছিল মস্ত ফ্যাসাদে। নিজেই অবশ্য সমস্ত সমস্যার সমাধান করে দিলেন ঘরে ফিরে এসে।

সাফারি কর্তৃপক্ষ মনে করছে, মহানন্দা অভয়ারণ্য ও বৈকুণ্ঠপুর জঙ্গলের দিকে চলে গিয়েছিল চিতাবাঘটি। দুই জঙ্গলেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। কিন্তু তন্নতন্ন করে খুঁজেও ধরা পড়েনি শচীনের পায়ের ছাপ। এদিন তৃণভোজী পার্কে নতুন করে পায়ের ছাপ দেখতে পাওয়া যায়। যা থেকে বোঝা যায় শচীন সাফারি পার্কের ভিতরেই রয়েছে।
ফের শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। কিন্তু তার আর বিশেষ অবকাশ দেয়নি শচীন। নিজেই পায়ে হেঁটে এনক্লোজারে ফিরে আসে। তবে বাঘটি সামান্যা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছে। চোখের কাছে একটা দাগও মিলেছে। তবে বাঘটি ভালোভাবে খাওয়াদাওয়া করছে বলে জানিয়েছে সাফারি কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, বছরের প্রথম দিন থেকেই সাফারি পার্ক থেকে নিখোঁজ হয়ে যায় চিতাবাঘটি। পর্যটকরা বারেবারে শচীনের খোঁজ করলেও, তার দেখা মেলেনি। শচীন এনক্লোজার ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় শুরু হয়েছিল তল্লাশি। ঘুমপাড়ানি গুলি, কুনকি হাতি, ড্রোন ক্যামেরা, ট্যাপ ক্যামেরা নিয়ে তল্লাশি চালিয়েও হদিশ মেলেনি। শেষে নিজের মর্জিতেই ফিরল শচীন।












Click it and Unblock the Notifications